অভিনেতা আবদুল কাদের না ফেরার দেশে

0
32

ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকালে মৃত্যু হয়েছে তার।কাদেরের পুত্রবধূ জাহিদা ইসলাম জেমি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এই খবর নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, “সকাল ৮টা ২০ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।”হাসপাতালের আনুষ্ঠানিকতা সেরে মিরপুর ডিওএইচএসের বাসায় নেওয়া হবে মরদেহে। জানাজা ও দাফনের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানাতে পারেননি তার পুত্রবধূ।আবদুল কাদেরের বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক

ক্যান্সারের চিকিৎসা গ্রহণ শেষে ভারতের চেন্নাই থেকে রোববার দেশে ফিরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। সোমবার তার করোনাভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়ে।

১৯৫১ সালে মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী থানার সোনারং গ্রামে জন্ম নেওয়া কাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেওয়ার পর সিঙ্গাইর কলেজ ও লৌহজং কলেজে অধ্যাপনায় নিযুক্ত হন। পরে বিটপী বিজ্ঞাপনী সংস্থায় এক্সিকিউটিভ হিসেবে যোগ দেন। বিটপী ছেড়ে পরে তিনি বাটায় যোগ দেন ১৯৭৯ সালে;সেখানে ছিলেন ৩৫ বছর।

১৯৭৫ সাল পর্যন্ত ডাকসু নাট্যচক্রের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য ছিলেন কাদের। ১৯৭৩ সাল থেকে থিয়েটার নাট্যগোষ্ঠীর সদস্য এবং চার বছর যুগ্ম-সম্পাদকের ও ছয় বছর সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি থিয়েটারের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

তার অভিনীত মঞ্চনাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’, ‘এখনও ক্রীতদাস’, ‘তোমরাই, স্পর্ধা’, ‘দুই বোন’, ‘মেরাজ ফকিরের মা’।

এছাড়া দেশের বাইরে জাপান, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, কলকাতা, দিল্লি, দুবাইয়ের মঞ্চেও তিনি বাংলা নাটকে অভিনয় করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here