শনিবার, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং
শিরোনাম
  • **কাসেম সোলেমানির ঘনিষ্ঠ স্থানীয় কমান্ডার আব্দেলহোসেইন মোজাদ্দামিকে বুধবার তার বাসার সামনে গুলি করে হত্যা করেছে দুই মুখোশধারী**রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় মিয়ানমারকে জরুরি ভিত্তিতে চার দফা অন্তর্বর্তীকালীন পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে)** রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সংবিধান আমূল পরিবর্তনের প্রস্তাব প্রাথমিকভাবে সমর্থন করেছে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ স্টেট দুমা** রুট 19 এর নাম বদলে গভর্নর ফিল মারফি মঙ্গলবার বিল প্যাসক্রেলের নামে সড়ক নামকরণের একটি বিলে স্বাক্ষর করেছেন** প্যাটারসনে মেইন স্ট্রিটে পীষ্ঠ হয়ে ৬১ বছর বয়সী ব্যক্তির মৃত্যু** ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের বিরুদ্ধে হলফনামায় সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে ব্যবস্থা চেয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক**
বুধবার, জানুয়ারি ১, ২০২০ ১০:৪৪ অপরাহ্ণ | আপডেটঃ জানুয়ারি ০১, ২০২০ ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
A- A A+ Print

ইরাকে আরও সৈন্য পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরাকে মার্কিন দূতাবাসে হামলা-ভাংচুর এবং নিরাপত্তা চৌকিতে অগ্নিসংযোগের পর দেশটিতে আরও সৈন্য পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপার ইরাকে তাৎক্ষণিকভাবে আরও সাড়ে সাতশ’ সৈন্য মোতায়েন করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

এক বিবৃতিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘মার্কিন স্থাপনা ও কর্মকর্তাদের ওপর হুমকির মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে যথোপযুক্তভাবেই এই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে।’

নিরাপত্তার জন্য পাঠানো অতিরিক্ত সেনারা কয়েক দিনের মধ্যেই দেশটিতে পৌঁছাবেন বলে জানিয়েছে পেন্টাগন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিকভাবে কুয়েত থেকে সাড়ে সাতশ’ সেনা ইরাকে পাঠানো হবে। সামনের দিনগুলোতে ওই অঞ্চলে চার হাজারের মতো সৈন্য পাঠানোরও প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

ইরাকে এখনি পাঁচ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা অবস্থান করছে।

রোববার ইরাকে ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়াদের ওপর মার্কিন বিমান হামলায় ২৫ জন নিহতের জেরে মঙ্গলবার মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালায় ক্ষুব্ধ একদল বিক্ষোভকারী।

মঙ্গলবার বিক্ষোভকারীরা মার্কিন দূতাবাস লক্ষ্য করে পাথর ছুড়েছে। দূতাবাসের নিরাপত্তা কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষেও জড়িয়েছিল বলে জানিয়েছে রয়টার্স। দ্বিতীয় দিনের মতো বুধবারও দূতাবাসের সামনে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকায় আগুন লাগায় এবং দূতাবাসের দিকে পাথর ছোড়েন ইরানপন্থী বিক্ষোভকারীরা।

ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার পর ইরানঘনিষ্ঠ মিলিশিয়ার নেতৃত্বাধীন এ বিক্ষোভ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে হাজির হয়েছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। দূতাবাসে হামলার পরপরই ট্রাম্প এ ঘটনার জন্য ইরানকে দায়ী করে পাল্টা পদক্ষেপ নেয়ার হুমকি দিয়েছিলেন।

নববর্ষের সন্ধ্যায় টুইটে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, যে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি কিংবা প্রাণহানির জন্য ইরানকে বড় ধরনের মূল্য দিতে হবে। এটা কোনো সতর্কবার্তা নয়, হুমকি। যদিও পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনে তেহরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানোর ইচ্ছা নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মার্কিন দূতাবাসে ইরাকি বিক্ষোভকারীদের হামলা-ভাংচুরের ঘটনায়ও তাদের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানিয়েছে ইরান।

এরপর মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপার ইরাকের ওই অঞ্চলে তাৎক্ষণিকভাবে আরও সাড়ে সাতশ’ সৈন্য মোতায়েন করা হবে বলে ঘোষণা দেন।

Comments

Comments!

 Natunsokal.com

ইরাকে আরও সৈন্য পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

বুধবার, জানুয়ারি ১, ২০২০ ১০:৪৪ অপরাহ্ণ | আপডেটঃ জানুয়ারি ০১, ২০২০ ১১:৩৩ অপরাহ্ণ

ইরাকে মার্কিন দূতাবাসে হামলা-ভাংচুর এবং নিরাপত্তা চৌকিতে অগ্নিসংযোগের পর দেশটিতে আরও সৈন্য পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপার ইরাকে তাৎক্ষণিকভাবে আরও সাড়ে সাতশ’ সৈন্য মোতায়েন করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন।

এক বিবৃতিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘মার্কিন স্থাপনা ও কর্মকর্তাদের ওপর হুমকির মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে যথোপযুক্তভাবেই এই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে।’

নিরাপত্তার জন্য পাঠানো অতিরিক্ত সেনারা কয়েক দিনের মধ্যেই দেশটিতে পৌঁছাবেন বলে জানিয়েছে পেন্টাগন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিকভাবে কুয়েত থেকে সাড়ে সাতশ’ সেনা ইরাকে পাঠানো হবে। সামনের দিনগুলোতে ওই অঞ্চলে চার হাজারের মতো সৈন্য পাঠানোরও প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

ইরাকে এখনি পাঁচ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা অবস্থান করছে।

রোববার ইরাকে ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়াদের ওপর মার্কিন বিমান হামলায় ২৫ জন নিহতের জেরে মঙ্গলবার মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালায় ক্ষুব্ধ একদল বিক্ষোভকারী।

মঙ্গলবার বিক্ষোভকারীরা মার্কিন দূতাবাস লক্ষ্য করে পাথর ছুড়েছে। দূতাবাসের নিরাপত্তা কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষেও জড়িয়েছিল বলে জানিয়েছে রয়টার্স। দ্বিতীয় দিনের মতো বুধবারও দূতাবাসের সামনে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকায় আগুন লাগায় এবং দূতাবাসের দিকে পাথর ছোড়েন ইরানপন্থী বিক্ষোভকারীরা।

ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার পর ইরানঘনিষ্ঠ মিলিশিয়ার নেতৃত্বাধীন এ বিক্ষোভ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে হাজির হয়েছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। দূতাবাসে হামলার পরপরই ট্রাম্প এ ঘটনার জন্য ইরানকে দায়ী করে পাল্টা পদক্ষেপ নেয়ার হুমকি দিয়েছিলেন।

নববর্ষের সন্ধ্যায় টুইটে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, যে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি কিংবা প্রাণহানির জন্য ইরানকে বড় ধরনের মূল্য দিতে হবে। এটা কোনো সতর্কবার্তা নয়, হুমকি। যদিও পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনে তেহরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানোর ইচ্ছা নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মার্কিন দূতাবাসে ইরাকি বিক্ষোভকারীদের হামলা-ভাংচুরের ঘটনায়ও তাদের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানিয়েছে ইরান।

এরপর মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপার ইরাকের ওই অঞ্চলে তাৎক্ষণিকভাবে আরও সাড়ে সাতশ’ সৈন্য মোতায়েন করা হবে বলে ঘোষণা দেন।

Please follow and like us:
error0

Comments

comments

X
error