বৃহস্পতিবার, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং
শিরোনাম
  • **কাসেম সোলেমানির ঘনিষ্ঠ স্থানীয় কমান্ডার আব্দেলহোসেইন মোজাদ্দামিকে বুধবার তার বাসার সামনে গুলি করে হত্যা করেছে দুই মুখোশধারী**রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় মিয়ানমারকে জরুরি ভিত্তিতে চার দফা অন্তর্বর্তীকালীন পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে)** রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সংবিধান আমূল পরিবর্তনের প্রস্তাব প্রাথমিকভাবে সমর্থন করেছে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ স্টেট দুমা** রুট 19 এর নাম বদলে গভর্নর ফিল মারফি মঙ্গলবার বিল প্যাসক্রেলের নামে সড়ক নামকরণের একটি বিলে স্বাক্ষর করেছেন** প্যাটারসনে মেইন স্ট্রিটে পীষ্ঠ হয়ে ৬১ বছর বয়সী ব্যক্তির মৃত্যু** ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের বিরুদ্ধে হলফনামায় সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে ব্যবস্থা চেয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক**
বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২০ ১১:৪৩ অপরাহ্ণ
A- A A+ Print

গৃহসজ্জায় ইনডোর প্ল্যান্ট !

গৃহসজ্জায় ফুলের ব্যবহার তো অনেকদিন আগে থেকেই প্রচলিত। আপনার গৃহ সজ্জায় ইনডোর প্ল্যান্ট হতে পারে একটি অতি প্রিয় ও প্রয়োজনীয় উপাদান। সুন্দর টবে সবুজ কয়েকটি গাছ শুধু আপনার ঘরের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করবে না, পারিপার্শ্বিকতায় আনবে সতেজতা।কিন্তু বাড়িতে শুধু গাছ রাখলেই হবেনা, তার সঠিক যতড়ব ও সাজিয়ে রাখার কৌশলগুলোও রপ্ত
করতে হবে।
অন্দরের জন্য নির্দিষ্ট কিছু গাছই বেছে নিতে হয়। ঘরের ভেতর বা বারান্দায় এমন জায়গায় গাছ রাখতে হবে যেন খুব বেশি কড়া আলো না পড়ে আবার খুব অন্ধকারেও যেন না থাকে। জানালার কাছে বা বারান্দায় গাছ রাখা যেতে পারে। বাড়ির ভেতরের রুমগুলোতে যেসব গাছ রাখা হয় সেগুলোকে সপ্তাহে অন্তত একদিন রোদে রাখা যেতে পারে। তাছাড়া সকালের হালকা রোদে রাখা যেতে পারে সব গাছগুলোকে। গাছে নিয়মিত পানি দিতে হবে। তবে অধিক পানি দিলে অনেকসময় মূল পচে গিয়ে গাছ মারা যেতে পারে। এক্ষত্রে গাছে পানি দেয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। বাড়ির ভেতরে যেসব গাছ রাখা হবে সেগুলো গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ হওয়াই ভালো। কেননা গাছ বেশি বড় হয়ে গেলে বাড়ি অন্ধকার লাগতে পারে। এক্ষেত্রে গাছের ডাল পালা ছেঁটে দেয়া যেতে পারে। একটা কথা মনে রাখতে হবে, আর তা হচ্ছে দিনের বেলায় গাছ আমাদের শ্বাস ক্রিয়ার অত্যাবশ্যকীয় উপাদান অক্সিজেন সরবরাহ করলেও রাতের বেলায় কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগ করে। তাই রাতের বেলায় গাছগুলোকে বাড়ির বারান্দায় অথবা ঘরের বাইরে সরিয়ে রাখা উচিত। আর সম্ভপব না হলে জানালা খুলে জানালার পাশে গাছগুলো রাখা যেতে পারে।

বাড়ির ভেতরে গৃহ সজ্জায় রাখা গাছের জন্য নিতে হয় বাড়তি যত্ন। কেননা সঠিক মতো পরিচর্যা করা না হলে একদিকে যেমন গাছের ক্ষতি হতে পারে অপরদিকে ঘরের সৌন্দর্যও হানি ঘটতে পারে। তাই গৃহ সজ্জায় রাখা গাছের জন্য নিতে হবে বিশেষ যত্ন। গাছের পাতায় জমে থাকা ধুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। পানি দেয়ার ক্ষেত্রে হ্যান্ড স্প্রে ব্যবহার করা যেতে পারে। অনেকসময় বাড়তি সৌন্দর্যের জন্য ডেকোরেটিভ পটের ব্যবহার করতে দেখা যায়। কিন্তু এক্ষেত্রে গাছের শিকড় বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত জায়গা পাচ্ছে কিনা তা খেয়াল রাখতে হবে। আর গাছ যদি টবের তুলোনায় বড় হয়ে যায় তাহলে সময়মতো টব পরিবর্তন করে সঠিক মাপের টবে গাছটি স্থানান্তর করতে হবে। তবে টব পরিবর্তনের সময় গাছের শিকড়ের যেন কোন ক্ষতি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তাছাড়া টবের মাটি মাঝে মাঝে উলোট পালট করে দিয়ে মাটিতে অক্সিজেনের প্রবেশ সহজ করে দিলে মাটি তার উর্বরা শক্তি ফিরে পাবে।

জেনে রাখুন

রাসায়নিক সারের মাত্রা ঠিক রাখা জরুরি। ১২ থেকে ১৮ ইঞ্চি মাপের টবের জন্য ১ চা-চামচ টিএসপি, ১ চা-চামচ পটাশ আর পৌনে এক চা-চামচ বোরন সার দিতে হবে।
গোবর পচা মাটি ব্যবহার করতে হবে।
শর্ষের খৈল অল্প পানিতে ভিজিয়ে ঢেকে রাখুন। ১০ দিন পর পানি মিশিয়ে পাতলা করে (লাঠিজাতীয় কিছু দিয়ে নেড়ে) গাছে দিন। তবে এতে বেশ দুর্গন্ধ হয়। সইতে পারলে তবেই ঘরের গাছে দিন। মাটিতে একটা স্তর পড়ে। ২-৩ দিন পর মাটি নিড়িয়ে মিশিয়ে দিতে হয়, তখন আর দুর্গন্ধ থাকে না। গাছে খৈল দেওয়ার আগের দিন মাটি খুঁচিয়ে নিতে হবে।
বাড়ির ছাদে মাটির বড় পাত্রে সবজির খোসা কুচি (পেঁয়াজ বা রসুন নয়), ব্যবহৃত চা-পাতা (দুধ-চিনি দিয়ে চা তৈরি করলে ধুয়ে নিতে হবে) গোবর সারের বিকল্প হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন কিংবা গোবর সারের সঙ্গে মিশিয়েও ব্যবহার করতে পারেন।
গাছের আরও পুষ্টি

৩-৪ মাস পরপর গাছে সার দেওয়া ভালো। ১ বার রাসায়নিক সার, ১-২ বার শর্ষের খৈল, ১-২ বার গোবর সার কিংবা সবজি ও চা-পাতা পচিয়ে করা সার দিতে পারেন। খৈল বাদে বাকি সার দেওয়ার পরপরই মাটি খুঁচিয়ে দিয়ে হালকাভাবে পানি দিন।

আরও কিছু

দুই-আড়াই মাস অন্তর ভিটামিন স্প্রে করতে পারেন (নিয়ম অনুসারে)।
গাছের পাতা বিবর্ণ হয়ে এলে পাতায় ফলিয়ার স্প্রে (এক লিটার পানিতে এক গ্রাম ইউরিয়া মিশিয়ে) করতে পারেন। বিবর্ণতা প্রতিরোধে প্রতি দুই-আড়াই মাসে একবার এই স্প্রে করা যায়। এক গ্রাম পরিমাণের সাধারণ একটা ধারণা হলো চা-চামচের উল্টো পিঠে যতটা উঠে আসে।
পোকামাকড় হতে পারে গাছে। মাকড় দেখতে বাদামি রঙের ছোট্ট উকুনের বাচ্চার মতো, যাদের নড়াচড়া খুব ভালোভাবে লক্ষ না করলে বোঝা যায় না। মাকড় দেখা দিলে মাকড়নাশক আর পোকা হলে কীটনাশক দিতে হবে। ছত্রাক হলে দাগ দেখা যায়। সে ক্ষেত্রে ছত্রাকনাশক প্রয়োজন। এ ছাড়া প্রতিরোধের জন্য প্রতি মাসে একবার (রোদে দেওয়ার আগে) ছত্রাকনাশকের সঙ্গে কীটনাশক/মাকড়নাশকের যেকোনোটি (এক এক মাসে এ দুটোর এক একটি) প্রয়োগ করুন।
যেকোনো রাসায়নিক প্রয়োগের আগে নিরাপত্তার নির্দেশনা জেনে নিতে হবে, পরিমাণমতো ব্যবহার করতে হবে।

বাড়িতে সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ইনডোর প্ল্যান্ট হিসেবে বিভিন্ন গাছ ব্যবহার করা হয়। তার মধ্যে মানিপ্ল্যান্ট, জেডপ্ল্যান্ট, বিভিন্ন জাতের ক্যাকটাস, অ্যারেইকা পাম, স্পাইডার প্ল্যান্ট প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। কারণ এগুলো সহজেই বেড়ে উঠে। তবে বাসা বাড়িতে মানিপ্ল্যান্ট আর বিভিন্ন জাতের ক্যাকটাস গৃহ সজ্জায় বেশি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। গৃহ সজ্জায় গাছের ব্যবহার যান্ত্রিক এই শহরে ঘরে ঘরে সবুজের কিছুটা ছোঁয়া এনে দিতে পারে।

Comments

Comments!

 Natunsokal.com

গৃহসজ্জায় ইনডোর প্ল্যান্ট !

বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২০ ১১:৪৩ অপরাহ্ণ

গৃহসজ্জায় ফুলের ব্যবহার তো অনেকদিন আগে থেকেই প্রচলিত। আপনার গৃহ সজ্জায় ইনডোর প্ল্যান্ট হতে পারে একটি অতি প্রিয় ও প্রয়োজনীয় উপাদান। সুন্দর টবে সবুজ কয়েকটি গাছ শুধু আপনার ঘরের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করবে না, পারিপার্শ্বিকতায় আনবে সতেজতা।কিন্তু বাড়িতে শুধু গাছ রাখলেই হবেনা, তার সঠিক যতড়ব ও সাজিয়ে রাখার কৌশলগুলোও রপ্ত
করতে হবে।
অন্দরের জন্য নির্দিষ্ট কিছু গাছই বেছে নিতে হয়। ঘরের ভেতর বা বারান্দায় এমন জায়গায় গাছ রাখতে হবে যেন খুব বেশি কড়া আলো না পড়ে আবার খুব অন্ধকারেও যেন না থাকে। জানালার কাছে বা বারান্দায় গাছ রাখা যেতে পারে। বাড়ির ভেতরের রুমগুলোতে যেসব গাছ রাখা হয় সেগুলোকে সপ্তাহে অন্তত একদিন রোদে রাখা যেতে পারে। তাছাড়া সকালের হালকা রোদে রাখা যেতে পারে সব গাছগুলোকে। গাছে নিয়মিত পানি দিতে হবে। তবে অধিক পানি দিলে অনেকসময় মূল পচে গিয়ে গাছ মারা যেতে পারে। এক্ষত্রে গাছে পানি দেয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। বাড়ির ভেতরে যেসব গাছ রাখা হবে সেগুলো গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ হওয়াই ভালো। কেননা গাছ বেশি বড় হয়ে গেলে বাড়ি অন্ধকার লাগতে পারে। এক্ষেত্রে গাছের ডাল পালা ছেঁটে দেয়া যেতে পারে। একটা কথা মনে রাখতে হবে, আর তা হচ্ছে দিনের বেলায় গাছ আমাদের শ্বাস ক্রিয়ার অত্যাবশ্যকীয় উপাদান অক্সিজেন সরবরাহ করলেও রাতের বেলায় কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগ করে। তাই রাতের বেলায় গাছগুলোকে বাড়ির বারান্দায় অথবা ঘরের বাইরে সরিয়ে রাখা উচিত। আর সম্ভপব না হলে জানালা খুলে জানালার পাশে গাছগুলো রাখা যেতে পারে।

বাড়ির ভেতরে গৃহ সজ্জায় রাখা গাছের জন্য নিতে হয় বাড়তি যত্ন। কেননা সঠিক মতো পরিচর্যা করা না হলে একদিকে যেমন গাছের ক্ষতি হতে পারে অপরদিকে ঘরের সৌন্দর্যও হানি ঘটতে পারে। তাই গৃহ সজ্জায় রাখা গাছের জন্য নিতে হবে বিশেষ যত্ন। গাছের পাতায় জমে থাকা ধুলো নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। পানি দেয়ার ক্ষেত্রে হ্যান্ড স্প্রে ব্যবহার করা যেতে পারে। অনেকসময় বাড়তি সৌন্দর্যের জন্য ডেকোরেটিভ পটের ব্যবহার করতে দেখা যায়। কিন্তু এক্ষেত্রে গাছের শিকড় বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত জায়গা পাচ্ছে কিনা তা খেয়াল রাখতে হবে। আর গাছ যদি টবের তুলোনায় বড় হয়ে যায় তাহলে সময়মতো টব পরিবর্তন করে সঠিক মাপের টবে গাছটি স্থানান্তর করতে হবে। তবে টব পরিবর্তনের সময় গাছের শিকড়ের যেন কোন ক্ষতি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তাছাড়া টবের মাটি মাঝে মাঝে উলোট পালট করে দিয়ে মাটিতে অক্সিজেনের প্রবেশ সহজ করে দিলে মাটি তার উর্বরা শক্তি ফিরে পাবে।

জেনে রাখুন

রাসায়নিক সারের মাত্রা ঠিক রাখা জরুরি। ১২ থেকে ১৮ ইঞ্চি মাপের টবের জন্য ১ চা-চামচ টিএসপি, ১ চা-চামচ পটাশ আর পৌনে এক চা-চামচ বোরন সার দিতে হবে।
গোবর পচা মাটি ব্যবহার করতে হবে।
শর্ষের খৈল অল্প পানিতে ভিজিয়ে ঢেকে রাখুন। ১০ দিন পর পানি মিশিয়ে পাতলা করে (লাঠিজাতীয় কিছু দিয়ে নেড়ে) গাছে দিন। তবে এতে বেশ দুর্গন্ধ হয়। সইতে পারলে তবেই ঘরের গাছে দিন। মাটিতে একটা স্তর পড়ে। ২-৩ দিন পর মাটি নিড়িয়ে মিশিয়ে দিতে হয়, তখন আর দুর্গন্ধ থাকে না। গাছে খৈল দেওয়ার আগের দিন মাটি খুঁচিয়ে নিতে হবে।
বাড়ির ছাদে মাটির বড় পাত্রে সবজির খোসা কুচি (পেঁয়াজ বা রসুন নয়), ব্যবহৃত চা-পাতা (দুধ-চিনি দিয়ে চা তৈরি করলে ধুয়ে নিতে হবে) গোবর সারের বিকল্প হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন কিংবা গোবর সারের সঙ্গে মিশিয়েও ব্যবহার করতে পারেন।
গাছের আরও পুষ্টি

৩-৪ মাস পরপর গাছে সার দেওয়া ভালো। ১ বার রাসায়নিক সার, ১-২ বার শর্ষের খৈল, ১-২ বার গোবর সার কিংবা সবজি ও চা-পাতা পচিয়ে করা সার দিতে পারেন। খৈল বাদে বাকি সার দেওয়ার পরপরই মাটি খুঁচিয়ে দিয়ে হালকাভাবে পানি দিন।

আরও কিছু

দুই-আড়াই মাস অন্তর ভিটামিন স্প্রে করতে পারেন (নিয়ম অনুসারে)।
গাছের পাতা বিবর্ণ হয়ে এলে পাতায় ফলিয়ার স্প্রে (এক লিটার পানিতে এক গ্রাম ইউরিয়া মিশিয়ে) করতে পারেন। বিবর্ণতা প্রতিরোধে প্রতি দুই-আড়াই মাসে একবার এই স্প্রে করা যায়। এক গ্রাম পরিমাণের সাধারণ একটা ধারণা হলো চা-চামচের উল্টো পিঠে যতটা উঠে আসে।
পোকামাকড় হতে পারে গাছে। মাকড় দেখতে বাদামি রঙের ছোট্ট উকুনের বাচ্চার মতো, যাদের নড়াচড়া খুব ভালোভাবে লক্ষ না করলে বোঝা যায় না। মাকড় দেখা দিলে মাকড়নাশক আর পোকা হলে কীটনাশক দিতে হবে। ছত্রাক হলে দাগ দেখা যায়। সে ক্ষেত্রে ছত্রাকনাশক প্রয়োজন। এ ছাড়া প্রতিরোধের জন্য প্রতি মাসে একবার (রোদে দেওয়ার আগে) ছত্রাকনাশকের সঙ্গে কীটনাশক/মাকড়নাশকের যেকোনোটি (এক এক মাসে এ দুটোর এক একটি) প্রয়োগ করুন।
যেকোনো রাসায়নিক প্রয়োগের আগে নিরাপত্তার নির্দেশনা জেনে নিতে হবে, পরিমাণমতো ব্যবহার করতে হবে।

বাড়িতে সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ইনডোর প্ল্যান্ট হিসেবে বিভিন্ন গাছ ব্যবহার করা হয়। তার মধ্যে মানিপ্ল্যান্ট, জেডপ্ল্যান্ট, বিভিন্ন জাতের ক্যাকটাস, অ্যারেইকা পাম, স্পাইডার প্ল্যান্ট প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। কারণ এগুলো সহজেই বেড়ে উঠে। তবে বাসা বাড়িতে মানিপ্ল্যান্ট আর বিভিন্ন জাতের ক্যাকটাস গৃহ সজ্জায় বেশি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। গৃহ সজ্জায় গাছের ব্যবহার যান্ত্রিক এই শহরে ঘরে ঘরে সবুজের কিছুটা ছোঁয়া এনে দিতে পারে।

Please follow and like us:
error0

Comments

comments

X
error