শনিবার, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং
শিরোনাম
  • **কাসেম সোলেমানির ঘনিষ্ঠ স্থানীয় কমান্ডার আব্দেলহোসেইন মোজাদ্দামিকে বুধবার তার বাসার সামনে গুলি করে হত্যা করেছে দুই মুখোশধারী**রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় মিয়ানমারকে জরুরি ভিত্তিতে চার দফা অন্তর্বর্তীকালীন পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে)** রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সংবিধান আমূল পরিবর্তনের প্রস্তাব প্রাথমিকভাবে সমর্থন করেছে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ স্টেট দুমা** রুট 19 এর নাম বদলে গভর্নর ফিল মারফি মঙ্গলবার বিল প্যাসক্রেলের নামে সড়ক নামকরণের একটি বিলে স্বাক্ষর করেছেন** প্যাটারসনে মেইন স্ট্রিটে পীষ্ঠ হয়ে ৬১ বছর বয়সী ব্যক্তির মৃত্যু** ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের বিরুদ্ধে হলফনামায় সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে ব্যবস্থা চেয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক**
শনিবার, মার্চ ৪, ২০১৭ ১১:৪১ অপরাহ্ণ | আপডেটঃ মার্চ ০৪, ২০১৭ ১১:৪২ অপরাহ্ণ
A- A A+ Print

ডাকছে বিছনাকান্দি

পিয়াইন নদের হাদার পার ঘাটে সারিবদ্ধ ইঞ্জিনচালিত নৌকা। সিএনজিচালিত অটোরিকশা থামতেই সেসব নৌকার কয়েকজন মাঝি আগ্রহ নিয়ে জানতে চাইলেন, ‘কোথায় যেতে চান?’ গন্তব্য বলার পর মধ্যবয়সী একজন ১ হাজার ৮০০ টাকায় রাজি হলেন। বিছনাকান্দির ডাকে সাড়া দিয়ে উঠে পড়লাম তাঁর নৌকায়।2c773a9b05fa1c30214549d055e9a22f-5

ধীরগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে ছোট্ট নৌকাটি। নিচের জলরাশি যেন স্বচ্ছ কাচ। নদীর দুই পারে গ্রাম আর সবুজের অপরূপ দৃশ্য থেকে চোখ সরে না। মিনিট দশেক এগোনোর পর চোখে পড়ে সারি সারি পাহাড়। পাহাড়ের রং কোথাও
সবুজ, আবার কোথাও গাঢ় নীল। সাদা মেঘ সেসব পাহাড়ের মাথা ছুঁয়ে উড়ে যাচ্ছে। এই দৃশ্যের ঘোর কাটতে না–কাটতেই চোখে পড়ে নদীর তলদেশ থেকে তীর অবধি বিস্তৃত পথের সারি। এ যেন পাথরের ভূস্বর্গ।

a39d006a850ec7d555a5549f22212344-4পানিতে মানুষের ছুটোছুটি দেখে দ্রুত নেমে পড়ি নৌকা থেকে। পা রাখামাত্রই শীতল স্পর্শে ভরে গেল মন। মাটিতে বিছানো পাথরগুলো একটু পিচ্ছিল হলেও দিব্যি হাঁটা যায়। পাথরের ওপর পা ডুবিয়ে হাঁটছেন শত শত পর্যটক। কোথাও গোড়ালিসমান পানি, কোথাও বা হাঁটু পানি। কিছু দূরে গলাসমান গভীরতাও পাওয়া গেল। সেখানে ডুব দিচ্ছেন অনেক পর্যটক। আয়নার মতো স্বচ্ছ পানিতে ডুব দিলে জলের ভেতরটাও উন্মোচিত হয়।

নদীর তীরে পাহাড়ের পাদদেশে ভ্রাম্যমাণ হোটেলে রয়েছে খাবারের ব্যবস্থা। এখানে দাঁড়িয়ে খেতে খেতে দেখতে পাবেন সীমান্তের ওপারে পাহাড়ের মাঝখানে ঝুলন্ত সেতুর দৃশ্য।
পিয়াইন নদের বিছনাকান্দির এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে যেতে হবে সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা গোয়াইনঘাটের রুস্তমপুর ইউনিয়নে।

যেভাবে যাবেন: চট্টগ্রাম থেকে ট্রেন বা বাসে করে যাওয়া যায় সিলেট। সিলেটের মূল শহর থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা বা মাইক্রোবাসে করে যেতে হবে হাদার পার ঘাটে। এতে সময় লাগে দুই ঘণ্টা। সেখান থেকে নৌকা নিয়ে ৩০ মিনিটে চলে যাওয়া যায় বিছনাকান্দিতে।

Comments

Comments!

 Natunsokal.com

ডাকছে বিছনাকান্দি

শনিবার, মার্চ ৪, ২০১৭ ১১:৪১ অপরাহ্ণ | আপডেটঃ মার্চ ০৪, ২০১৭ ১১:৪২ অপরাহ্ণ

পিয়াইন নদের হাদার পার ঘাটে সারিবদ্ধ ইঞ্জিনচালিত নৌকা। সিএনজিচালিত অটোরিকশা থামতেই সেসব নৌকার কয়েকজন মাঝি আগ্রহ নিয়ে জানতে চাইলেন, ‘কোথায় যেতে চান?’ গন্তব্য বলার পর মধ্যবয়সী একজন ১ হাজার ৮০০ টাকায় রাজি হলেন। বিছনাকান্দির ডাকে সাড়া দিয়ে উঠে পড়লাম তাঁর নৌকায়।2c773a9b05fa1c30214549d055e9a22f-5

ধীরগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে ছোট্ট নৌকাটি। নিচের জলরাশি যেন স্বচ্ছ কাচ। নদীর দুই পারে গ্রাম আর সবুজের অপরূপ দৃশ্য থেকে চোখ সরে না। মিনিট দশেক এগোনোর পর চোখে পড়ে সারি সারি পাহাড়। পাহাড়ের রং কোথাও
সবুজ, আবার কোথাও গাঢ় নীল। সাদা মেঘ সেসব পাহাড়ের মাথা ছুঁয়ে উড়ে যাচ্ছে। এই দৃশ্যের ঘোর কাটতে না–কাটতেই চোখে পড়ে নদীর তলদেশ থেকে তীর অবধি বিস্তৃত পথের সারি। এ যেন পাথরের ভূস্বর্গ।

a39d006a850ec7d555a5549f22212344-4পানিতে মানুষের ছুটোছুটি দেখে দ্রুত নেমে পড়ি নৌকা থেকে। পা রাখামাত্রই শীতল স্পর্শে ভরে গেল মন। মাটিতে বিছানো পাথরগুলো একটু পিচ্ছিল হলেও দিব্যি হাঁটা যায়। পাথরের ওপর পা ডুবিয়ে হাঁটছেন শত শত পর্যটক। কোথাও গোড়ালিসমান পানি, কোথাও বা হাঁটু পানি। কিছু দূরে গলাসমান গভীরতাও পাওয়া গেল। সেখানে ডুব দিচ্ছেন অনেক পর্যটক। আয়নার মতো স্বচ্ছ পানিতে ডুব দিলে জলের ভেতরটাও উন্মোচিত হয়।

নদীর তীরে পাহাড়ের পাদদেশে ভ্রাম্যমাণ হোটেলে রয়েছে খাবারের ব্যবস্থা। এখানে দাঁড়িয়ে খেতে খেতে দেখতে পাবেন সীমান্তের ওপারে পাহাড়ের মাঝখানে ঝুলন্ত সেতুর দৃশ্য।
পিয়াইন নদের বিছনাকান্দির এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে যেতে হবে সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা গোয়াইনঘাটের রুস্তমপুর ইউনিয়নে।

যেভাবে যাবেন: চট্টগ্রাম থেকে ট্রেন বা বাসে করে যাওয়া যায় সিলেট। সিলেটের মূল শহর থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা বা মাইক্রোবাসে করে যেতে হবে হাদার পার ঘাটে। এতে সময় লাগে দুই ঘণ্টা। সেখান থেকে নৌকা নিয়ে ৩০ মিনিটে চলে যাওয়া যায় বিছনাকান্দিতে।

Please follow and like us:
error0

Comments

comments

X
error