সোমবার, ২৩শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ৫ই এপ্রিল, ২০২০ ইং
শিরোনাম
  • **** চলমান করোনভাইরাস সঙ্কটের কারণে ২০২০ সালের ১২ ই মে নির্ধারিত সমস্ত নির্বাচন মেল-ইন ভোট দিয়ে পরিচালনার আদেশ দিয়ে বৃহস্পতিবার, একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন গভর্নর ফিল মারফি** প্যাটারসনে গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা চার থেকে দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়ে নয়টিতে উন্নীত হয়েছে** বৃহস্পতিবার ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, দেশটিতে প্রতি ঘন্টায় ৫০ জন লোক করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। আর প্রতি ১০ মিনিটে মারা যাচ্ছেন একজন** ভারতের আলোচিত ‘নির্ভয়া’ মামলার চার আসামি মুকেশ সিং, পবন গুপ্তা, বিনয় শর্মা ও অক্ষয়কুমার সিংয়ের ফাঁসি শুক্রবার** বিদেশফেরত প্রত্যেক যাত্রীকে ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশের হাইকোর্ট** মহামারী রূপে ছড়িয়ে পড়া নতুন করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকটের কারণে প্রায় আড়াই কোটি মানুষ চাকরি হারাতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা** নিউইয়র্ক সিটি প্রথম অস্থায়ী করোনাভাইরাস পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে স্ট্যাটেন্ট আইল্যান্ডে। আমেরিকার ন্যাশনাল গার্ড প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপন করেছে এবং কেন্দ্রটি চালানোর জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে**
শনিবার, মার্চ ৪, ২০১৭ ১১:৪১ অপরাহ্ণ | আপডেটঃ মার্চ ০৪, ২০১৭ ১১:৪২ অপরাহ্ণ
A- A A+ Print

ডাকছে বিছনাকান্দি

পিয়াইন নদের হাদার পার ঘাটে সারিবদ্ধ ইঞ্জিনচালিত নৌকা। সিএনজিচালিত অটোরিকশা থামতেই সেসব নৌকার কয়েকজন মাঝি আগ্রহ নিয়ে জানতে চাইলেন, ‘কোথায় যেতে চান?’ গন্তব্য বলার পর মধ্যবয়সী একজন ১ হাজার ৮০০ টাকায় রাজি হলেন। বিছনাকান্দির ডাকে সাড়া দিয়ে উঠে পড়লাম তাঁর নৌকায়।2c773a9b05fa1c30214549d055e9a22f-5

ধীরগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে ছোট্ট নৌকাটি। নিচের জলরাশি যেন স্বচ্ছ কাচ। নদীর দুই পারে গ্রাম আর সবুজের অপরূপ দৃশ্য থেকে চোখ সরে না। মিনিট দশেক এগোনোর পর চোখে পড়ে সারি সারি পাহাড়। পাহাড়ের রং কোথাও
সবুজ, আবার কোথাও গাঢ় নীল। সাদা মেঘ সেসব পাহাড়ের মাথা ছুঁয়ে উড়ে যাচ্ছে। এই দৃশ্যের ঘোর কাটতে না–কাটতেই চোখে পড়ে নদীর তলদেশ থেকে তীর অবধি বিস্তৃত পথের সারি। এ যেন পাথরের ভূস্বর্গ।

a39d006a850ec7d555a5549f22212344-4পানিতে মানুষের ছুটোছুটি দেখে দ্রুত নেমে পড়ি নৌকা থেকে। পা রাখামাত্রই শীতল স্পর্শে ভরে গেল মন। মাটিতে বিছানো পাথরগুলো একটু পিচ্ছিল হলেও দিব্যি হাঁটা যায়। পাথরের ওপর পা ডুবিয়ে হাঁটছেন শত শত পর্যটক। কোথাও গোড়ালিসমান পানি, কোথাও বা হাঁটু পানি। কিছু দূরে গলাসমান গভীরতাও পাওয়া গেল। সেখানে ডুব দিচ্ছেন অনেক পর্যটক। আয়নার মতো স্বচ্ছ পানিতে ডুব দিলে জলের ভেতরটাও উন্মোচিত হয়।

নদীর তীরে পাহাড়ের পাদদেশে ভ্রাম্যমাণ হোটেলে রয়েছে খাবারের ব্যবস্থা। এখানে দাঁড়িয়ে খেতে খেতে দেখতে পাবেন সীমান্তের ওপারে পাহাড়ের মাঝখানে ঝুলন্ত সেতুর দৃশ্য।
পিয়াইন নদের বিছনাকান্দির এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে যেতে হবে সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা গোয়াইনঘাটের রুস্তমপুর ইউনিয়নে।

যেভাবে যাবেন: চট্টগ্রাম থেকে ট্রেন বা বাসে করে যাওয়া যায় সিলেট। সিলেটের মূল শহর থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা বা মাইক্রোবাসে করে যেতে হবে হাদার পার ঘাটে। এতে সময় লাগে দুই ঘণ্টা। সেখান থেকে নৌকা নিয়ে ৩০ মিনিটে চলে যাওয়া যায় বিছনাকান্দিতে।

Comments

Comments!

 Natunsokal.com

ডাকছে বিছনাকান্দি

শনিবার, মার্চ ৪, ২০১৭ ১১:৪১ অপরাহ্ণ | আপডেটঃ মার্চ ০৪, ২০১৭ ১১:৪২ অপরাহ্ণ

পিয়াইন নদের হাদার পার ঘাটে সারিবদ্ধ ইঞ্জিনচালিত নৌকা। সিএনজিচালিত অটোরিকশা থামতেই সেসব নৌকার কয়েকজন মাঝি আগ্রহ নিয়ে জানতে চাইলেন, ‘কোথায় যেতে চান?’ গন্তব্য বলার পর মধ্যবয়সী একজন ১ হাজার ৮০০ টাকায় রাজি হলেন। বিছনাকান্দির ডাকে সাড়া দিয়ে উঠে পড়লাম তাঁর নৌকায়।2c773a9b05fa1c30214549d055e9a22f-5

ধীরগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে ছোট্ট নৌকাটি। নিচের জলরাশি যেন স্বচ্ছ কাচ। নদীর দুই পারে গ্রাম আর সবুজের অপরূপ দৃশ্য থেকে চোখ সরে না। মিনিট দশেক এগোনোর পর চোখে পড়ে সারি সারি পাহাড়। পাহাড়ের রং কোথাও
সবুজ, আবার কোথাও গাঢ় নীল। সাদা মেঘ সেসব পাহাড়ের মাথা ছুঁয়ে উড়ে যাচ্ছে। এই দৃশ্যের ঘোর কাটতে না–কাটতেই চোখে পড়ে নদীর তলদেশ থেকে তীর অবধি বিস্তৃত পথের সারি। এ যেন পাথরের ভূস্বর্গ।

a39d006a850ec7d555a5549f22212344-4পানিতে মানুষের ছুটোছুটি দেখে দ্রুত নেমে পড়ি নৌকা থেকে। পা রাখামাত্রই শীতল স্পর্শে ভরে গেল মন। মাটিতে বিছানো পাথরগুলো একটু পিচ্ছিল হলেও দিব্যি হাঁটা যায়। পাথরের ওপর পা ডুবিয়ে হাঁটছেন শত শত পর্যটক। কোথাও গোড়ালিসমান পানি, কোথাও বা হাঁটু পানি। কিছু দূরে গলাসমান গভীরতাও পাওয়া গেল। সেখানে ডুব দিচ্ছেন অনেক পর্যটক। আয়নার মতো স্বচ্ছ পানিতে ডুব দিলে জলের ভেতরটাও উন্মোচিত হয়।

নদীর তীরে পাহাড়ের পাদদেশে ভ্রাম্যমাণ হোটেলে রয়েছে খাবারের ব্যবস্থা। এখানে দাঁড়িয়ে খেতে খেতে দেখতে পাবেন সীমান্তের ওপারে পাহাড়ের মাঝখানে ঝুলন্ত সেতুর দৃশ্য।
পিয়াইন নদের বিছনাকান্দির এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে যেতে হবে সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা গোয়াইনঘাটের রুস্তমপুর ইউনিয়নে।

যেভাবে যাবেন: চট্টগ্রাম থেকে ট্রেন বা বাসে করে যাওয়া যায় সিলেট। সিলেটের মূল শহর থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা বা মাইক্রোবাসে করে যেতে হবে হাদার পার ঘাটে। এতে সময় লাগে দুই ঘণ্টা। সেখান থেকে নৌকা নিয়ে ৩০ মিনিটে চলে যাওয়া যায় বিছনাকান্দিতে।

Please follow and like us:
error0

Comments

comments

X
error