সোমবার, ২৩শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ৫ই এপ্রিল, ২০২০ ইং
শিরোনাম
  • **** চলমান করোনভাইরাস সঙ্কটের কারণে ২০২০ সালের ১২ ই মে নির্ধারিত সমস্ত নির্বাচন মেল-ইন ভোট দিয়ে পরিচালনার আদেশ দিয়ে বৃহস্পতিবার, একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন গভর্নর ফিল মারফি** প্যাটারসনে গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা চার থেকে দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়ে নয়টিতে উন্নীত হয়েছে** বৃহস্পতিবার ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, দেশটিতে প্রতি ঘন্টায় ৫০ জন লোক করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। আর প্রতি ১০ মিনিটে মারা যাচ্ছেন একজন** ভারতের আলোচিত ‘নির্ভয়া’ মামলার চার আসামি মুকেশ সিং, পবন গুপ্তা, বিনয় শর্মা ও অক্ষয়কুমার সিংয়ের ফাঁসি শুক্রবার** বিদেশফেরত প্রত্যেক যাত্রীকে ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশের হাইকোর্ট** মহামারী রূপে ছড়িয়ে পড়া নতুন করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকটের কারণে প্রায় আড়াই কোটি মানুষ চাকরি হারাতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা** নিউইয়র্ক সিটি প্রথম অস্থায়ী করোনাভাইরাস পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে স্ট্যাটেন্ট আইল্যান্ডে। আমেরিকার ন্যাশনাল গার্ড প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপন করেছে এবং কেন্দ্রটি চালানোর জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে**
বৃহস্পতিবার, জুলাই ৭, ২০১৬ ৭:৪৭ পূর্বাহ্ণ
A- A A+ Print

পরিবার ও বন্ধুকে বেশি গুরুত্ব দেবে ফেসবুক

ফেসবুকের নিউজ ফিডে এখন আর কোনো মিডিয়া বা খবরকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হবে না। এর বদলে বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের দেয়া পোস্টকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হবে। গতকাল বুধবার ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এ ঘোষণা দেয়।ফেসবুকের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, তাদের নিউজ ফিডের লক্ষ্য হচ্ছে সংগতিপূর্ণ পোস্ট বেশি করে দেখানো। ফেসবুকের নিউজ ফিড হালনাগাদ করার ফলে এখন বন্ধু পরিবারের সদস্যদের দেয়া পোস্ট বেশি দেখা যাবে।

সম্প্রতি ‘ট্রেন্ডিং টপিক’ নিয়ে সমালোচনার মুখে ফেসবুক এই পরিবর্তন আনার ঘোষণা দিল। ট্রেন্ডিং টপিক দেখাতে ফেসবুক কিছু রাজনৈতিক বিবেচনা দেখায় এ ধরনের সমালোচনা তৈরি হলেও ফেসবুক তা অস্বীকার করে।ফেসবুক কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সেখানে কোনো পক্ষপাত দেখানো হয় না। প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পক্ষপাতহীন থাকতে ফেসবুক সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাবে।

ফেসবুকের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাডাম মোসেরি এক ব্লগ পোস্টে বলেন, তাঁরা অ্যালগারিদম হালনাগাদ করেছেন। এতে ব্যবহারকারীদের প্রয়োজনমতো তথ্য দেখতে পাবেন। বিশ্ববাসীর পড়তে ভালো লাগবে এমন বিষয় তুলে আনার ব্যবসা তাঁরা করেন না। তাঁরা মানুষের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ করিয়ে দেয়ার ও ধারণা নিয়ে ব্যবসা করেন।ফেসবুক যদিও মিডিয়া বা খবর সরবরাহকারী হিসেবে নিজেদের পরিচয় করাতে চায় না, এরপরও কিছু সমীক্ষা বলছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশে খবরের প্রধান উৎস ফেসবুক। মানুষ ফেসবুকে অন্য কারণে এলেও তারা সেখানে খবর পড়ে।

পিউ রিসার্চ সেন্টারের এক সমীক্ষায় বলা হয়, ৬৬ শতাংশ ফেসবুক ব্যবহারকারী এই প্ল্যাটফর্ম থেকে কোনো না কোনো খবর পেয়ে থাকে। বৈশ্বিক ট্রেন্ডও একই রকম। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়টার্স ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব জার্নালিজমের ২৬টি দেশ নিয়ে করা এক জরিপে দেখা গেছে, ৫১ শতাংশ অংশগ্রহণকারী বলেন, তাঁরা সামাজিক যোগাযোগের সাইট খবর পড়ার জন্য ব্যবহার করেন। মাত্র ১২ শতাংশ মূল উৎস থেকে খবর পড়েন। এর মধ্যে ফেসবুক সবচেয়ে এগিয়ে। তথ্যসূত্র: এএফপি।

Comments

Comments!

 Natunsokal.com

পরিবার ও বন্ধুকে বেশি গুরুত্ব দেবে ফেসবুক

বৃহস্পতিবার, জুলাই ৭, ২০১৬ ৭:৪৭ পূর্বাহ্ণ

ফেসবুকের নিউজ ফিডে এখন আর কোনো মিডিয়া বা খবরকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হবে না। এর বদলে বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের দেয়া পোস্টকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হবে। গতকাল বুধবার ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এ ঘোষণা দেয়।ফেসবুকের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, তাদের নিউজ ফিডের লক্ষ্য হচ্ছে সংগতিপূর্ণ পোস্ট বেশি করে দেখানো। ফেসবুকের নিউজ ফিড হালনাগাদ করার ফলে এখন বন্ধু পরিবারের সদস্যদের দেয়া পোস্ট বেশি দেখা যাবে।

সম্প্রতি ‘ট্রেন্ডিং টপিক’ নিয়ে সমালোচনার মুখে ফেসবুক এই পরিবর্তন আনার ঘোষণা দিল। ট্রেন্ডিং টপিক দেখাতে ফেসবুক কিছু রাজনৈতিক বিবেচনা দেখায় এ ধরনের সমালোচনা তৈরি হলেও ফেসবুক তা অস্বীকার করে।ফেসবুক কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সেখানে কোনো পক্ষপাত দেখানো হয় না। প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পক্ষপাতহীন থাকতে ফেসবুক সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাবে।

ফেসবুকের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যাডাম মোসেরি এক ব্লগ পোস্টে বলেন, তাঁরা অ্যালগারিদম হালনাগাদ করেছেন। এতে ব্যবহারকারীদের প্রয়োজনমতো তথ্য দেখতে পাবেন। বিশ্ববাসীর পড়তে ভালো লাগবে এমন বিষয় তুলে আনার ব্যবসা তাঁরা করেন না। তাঁরা মানুষের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ করিয়ে দেয়ার ও ধারণা নিয়ে ব্যবসা করেন।ফেসবুক যদিও মিডিয়া বা খবর সরবরাহকারী হিসেবে নিজেদের পরিচয় করাতে চায় না, এরপরও কিছু সমীক্ষা বলছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশে খবরের প্রধান উৎস ফেসবুক। মানুষ ফেসবুকে অন্য কারণে এলেও তারা সেখানে খবর পড়ে।

পিউ রিসার্চ সেন্টারের এক সমীক্ষায় বলা হয়, ৬৬ শতাংশ ফেসবুক ব্যবহারকারী এই প্ল্যাটফর্ম থেকে কোনো না কোনো খবর পেয়ে থাকে। বৈশ্বিক ট্রেন্ডও একই রকম। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়টার্স ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব জার্নালিজমের ২৬টি দেশ নিয়ে করা এক জরিপে দেখা গেছে, ৫১ শতাংশ অংশগ্রহণকারী বলেন, তাঁরা সামাজিক যোগাযোগের সাইট খবর পড়ার জন্য ব্যবহার করেন। মাত্র ১২ শতাংশ মূল উৎস থেকে খবর পড়েন। এর মধ্যে ফেসবুক সবচেয়ে এগিয়ে। তথ্যসূত্র: এএফপি।

Please follow and like us:
error0

Comments

comments

X
error