বৃহস্পতিবার, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং
শিরোনাম
  • **কাসেম সোলেমানির ঘনিষ্ঠ স্থানীয় কমান্ডার আব্দেলহোসেইন মোজাদ্দামিকে বুধবার তার বাসার সামনে গুলি করে হত্যা করেছে দুই মুখোশধারী**রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় মিয়ানমারকে জরুরি ভিত্তিতে চার দফা অন্তর্বর্তীকালীন পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে)** রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সংবিধান আমূল পরিবর্তনের প্রস্তাব প্রাথমিকভাবে সমর্থন করেছে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ স্টেট দুমা** রুট 19 এর নাম বদলে গভর্নর ফিল মারফি মঙ্গলবার বিল প্যাসক্রেলের নামে সড়ক নামকরণের একটি বিলে স্বাক্ষর করেছেন** প্যাটারসনে মেইন স্ট্রিটে পীষ্ঠ হয়ে ৬১ বছর বয়সী ব্যক্তির মৃত্যু** ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের বিরুদ্ধে হলফনামায় সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে ব্যবস্থা চেয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক**
বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১৯, ২০১৯ ৯:২৯ পূর্বাহ্ণ
A- A A+ Print

বকা না দিয়েও শিশুকে শাসন করার পন্থা

বর্তমান যুগের ছেলেমেয়েদের চাইলেই আর আগের মতো শাসন করা যায় না, দিন বদলেছে।
যুগের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে শাসনের ধরণ। সন্তানকে সুশিক্ষা দিতে কোনো রকম বকা, আঘাত বা উচ্চস্বরে না ধমকিয়ে শিক্ষা দেওয়ার উপায় সম্পর্কে জানানো হল জীবনবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে।

সন্তান ঘরের পরিবেশ এলোমেলো রাখলে মাথায় বাজ পড়ার মতো অবস্থা হয়। এমন সময় রাগারাগি না করে সন্তানকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য কয়েকটি কৌশল অনুসরণ করা উচিত।

পরিস্থিতি থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা: সন্তানের কর্মকাণ্ডে অনেক সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে চিৎকার না করে নিজেকে শান্ত রাখুন এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে দিন। মনে রাখবেন, আপনি মুখে চুপচাপ থাকলেও আপনার কাজ কর্মে যেন আপনার অনুভূতি প্রকাশ পায়।

এটা বোঝা উচিত যে, চিৎকার করে কেবল ক্ষণিকের জন্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়। তাই সার্বিকভাবে সমাধান চাইলে মাথা ঠাণ্ডা করে কথা বলুন।

সন্তানকে বাছাই করার সুযোগ দিন: আপনার সন্তান যদি সকালের নাস্তায় বিস্কুট খেতে চায় তাহলে তাকে মজাদার বিকল্প হিসেবে রুটি ও বাটার, আলু পরটা ইত্যাদির মধ্য থেকে বাছাই করার সুযোগ দিন। তাছাড়া , সন্তানকে এটাও বোঝাতে পারেন যে তাদের সকালে স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে এবং দিনের অন্য যে কোনো সময় তারা বিস্কুট খেতে পারবে।

নিয়ম তৈরি করা: ঘরের ভেতর সুনির্দিষ্ট নিয়ম চালু করা যেতে পারে। আর সেটা লিখে দেয়ালে সাঁটিয়ে দিলে আরও ভালো হয়। যেমন- রাতে ১০টার পর টিভি দেখা যাবে না। আর এই ধরনের নিয়ম সঠিকভাবে মানার জন্য ‘ধন্যবাদ’ দিয়ে আদর করলে সন্তানের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বার বার একই কথা না বলা: ‘এটা করবে না’, ‘এখন হোমওয়ার্ক কর’- এই ধরনের কথা বারবার বললে সন্তানের কাছে তেমন একটা দাম থাকবে না। বরং কথা না শুনলে ২৪ ঘণ্টার জন্য টিভি দেখা বন্ধ বা গ্যাজেট ব্যবহার করা যাবে না এই ধরনের বিষয় করলে সন্তান একসময় কথা শুনলে আর না শুনলে কী হতে পারে সেটার বিষয়ে ধারণা পাবে। ফলে ধীরে হলেও তার মধ্যে পরিবর্তন আসবে।

চিৎকার করছেন কেনো সেটা আগে ভাবুন: সন্তান কথা না শুনলে নিজে কেনো চিল্লাচ্ছেন সেটা আগে ভাবুন। যদি মনে হয় রাগ থেকে চিৎকার করে বকছেন সন্তানকে তাহলে চুপ করে গিয়ে নিজে আগে শান্ত হন। কারণ বেশিরভাগ সময় চিৎকার বা উচ্চস্বরে কথা বললে সন্তান কথা শুনতে চায় না।

এছাড়া রাগের মাথায় অভিভাবকরা অনেক সময় বিভিন্ন শাস্তির কথা বলে বসে। পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে সেগুলো আর পালন করা হয় না। ফলে সন্তান সেগুলোকে আমলে নেয় না। তাই রাগের মাথায় কিছু না করে, বরং ঠাণ্ডা মাথায় সন্তানকে শাসন করুন।

Comments

Comments!

 Natunsokal.com

বকা না দিয়েও শিশুকে শাসন করার পন্থা

বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১৯, ২০১৯ ৯:২৯ পূর্বাহ্ণ

বর্তমান যুগের ছেলেমেয়েদের চাইলেই আর আগের মতো শাসন করা যায় না, দিন বদলেছে।
যুগের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে শাসনের ধরণ। সন্তানকে সুশিক্ষা দিতে কোনো রকম বকা, আঘাত বা উচ্চস্বরে না ধমকিয়ে শিক্ষা দেওয়ার উপায় সম্পর্কে জানানো হল জীবনবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে।

সন্তান ঘরের পরিবেশ এলোমেলো রাখলে মাথায় বাজ পড়ার মতো অবস্থা হয়। এমন সময় রাগারাগি না করে সন্তানকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য কয়েকটি কৌশল অনুসরণ করা উচিত।

পরিস্থিতি থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা: সন্তানের কর্মকাণ্ডে অনেক সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে চিৎকার না করে নিজেকে শান্ত রাখুন এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে দিন। মনে রাখবেন, আপনি মুখে চুপচাপ থাকলেও আপনার কাজ কর্মে যেন আপনার অনুভূতি প্রকাশ পায়।

এটা বোঝা উচিত যে, চিৎকার করে কেবল ক্ষণিকের জন্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়। তাই সার্বিকভাবে সমাধান চাইলে মাথা ঠাণ্ডা করে কথা বলুন।

সন্তানকে বাছাই করার সুযোগ দিন: আপনার সন্তান যদি সকালের নাস্তায় বিস্কুট খেতে চায় তাহলে তাকে মজাদার বিকল্প হিসেবে রুটি ও বাটার, আলু পরটা ইত্যাদির মধ্য থেকে বাছাই করার সুযোগ দিন। তাছাড়া , সন্তানকে এটাও বোঝাতে পারেন যে তাদের সকালে স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে এবং দিনের অন্য যে কোনো সময় তারা বিস্কুট খেতে পারবে।

নিয়ম তৈরি করা: ঘরের ভেতর সুনির্দিষ্ট নিয়ম চালু করা যেতে পারে। আর সেটা লিখে দেয়ালে সাঁটিয়ে দিলে আরও ভালো হয়। যেমন- রাতে ১০টার পর টিভি দেখা যাবে না। আর এই ধরনের নিয়ম সঠিকভাবে মানার জন্য ‘ধন্যবাদ’ দিয়ে আদর করলে সন্তানের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বার বার একই কথা না বলা: ‘এটা করবে না’, ‘এখন হোমওয়ার্ক কর’- এই ধরনের কথা বারবার বললে সন্তানের কাছে তেমন একটা দাম থাকবে না। বরং কথা না শুনলে ২৪ ঘণ্টার জন্য টিভি দেখা বন্ধ বা গ্যাজেট ব্যবহার করা যাবে না এই ধরনের বিষয় করলে সন্তান একসময় কথা শুনলে আর না শুনলে কী হতে পারে সেটার বিষয়ে ধারণা পাবে। ফলে ধীরে হলেও তার মধ্যে পরিবর্তন আসবে।

চিৎকার করছেন কেনো সেটা আগে ভাবুন: সন্তান কথা না শুনলে নিজে কেনো চিল্লাচ্ছেন সেটা আগে ভাবুন। যদি মনে হয় রাগ থেকে চিৎকার করে বকছেন সন্তানকে তাহলে চুপ করে গিয়ে নিজে আগে শান্ত হন। কারণ বেশিরভাগ সময় চিৎকার বা উচ্চস্বরে কথা বললে সন্তান কথা শুনতে চায় না।

এছাড়া রাগের মাথায় অভিভাবকরা অনেক সময় বিভিন্ন শাস্তির কথা বলে বসে। পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে সেগুলো আর পালন করা হয় না। ফলে সন্তান সেগুলোকে আমলে নেয় না। তাই রাগের মাথায় কিছু না করে, বরং ঠাণ্ডা মাথায় সন্তানকে শাসন করুন।

Please follow and like us:
error0

Comments

comments

X
error