শনিবার, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং
শিরোনাম
  • **কাসেম সোলেমানির ঘনিষ্ঠ স্থানীয় কমান্ডার আব্দেলহোসেইন মোজাদ্দামিকে বুধবার তার বাসার সামনে গুলি করে হত্যা করেছে দুই মুখোশধারী**রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় মিয়ানমারকে জরুরি ভিত্তিতে চার দফা অন্তর্বর্তীকালীন পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে)** রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সংবিধান আমূল পরিবর্তনের প্রস্তাব প্রাথমিকভাবে সমর্থন করেছে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ স্টেট দুমা** রুট 19 এর নাম বদলে গভর্নর ফিল মারফি মঙ্গলবার বিল প্যাসক্রেলের নামে সড়ক নামকরণের একটি বিলে স্বাক্ষর করেছেন** প্যাটারসনে মেইন স্ট্রিটে পীষ্ঠ হয়ে ৬১ বছর বয়সী ব্যক্তির মৃত্যু** ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের বিরুদ্ধে হলফনামায় সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে ব্যবস্থা চেয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক**
শুক্রবার, ডিসেম্বর ২০, ২০১৯ ৫:৫৪ অপরাহ্ণ
A- A A+ Print

বিবাহিত নারীরা পরকীয়া করেন যে কারণে

পরকীয়া (ইংরেজি: Adultery বা Extramarital affair বা Extramarital sex) হল বিবাহিত কোন ব্যক্তির (নারী বা পুরুষ) স্বামী বা স্ত্রী ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির সাথে বিবাহোত্তর বা বিবাহবহির্ভূত প্রেম, যৌন সম্পর্ক ও যৌন কর্মকান্ড| মানবসমাজে এটি লঘু বা গুরুভাবে নেতিবাচক হিসেবে গণ্য পাশ্চাত্য আধুনিক সমাজে এর প্রতি নেতিবাচক মনোভাব বজায় থাকলেও এটি আইনত অপরাধ বলে বিবেচিত হয় না, তবে অভিযোগ প্রমাণিত হলে পরকীয়াকারী ব্যক্তির বিবাহিত সঙ্গী তার সাথে বিবাহবিচ্ছেদের জন্য কোর্টে আবেদন করতে পারেন|ইসলামি রাষ্ট্রসমূহে এর জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে, যা হল পাথর নিক্ষেপ করে মৃত্যুদন্ড প্রদান মনোচিকিৎসায় একথা স্বীকৃত যে, পিতামাতার পরকীয়া সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর এবং সামাজিক সম্পর্ক ও যোগাযোগে বিরূপ প্রভাব ফেলে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা সন্তানের মানসিক বিষন্নতার ও আগ্রাসী মনোভাবের জন্ম দেয়| এছাড়া পারিবারিক ও দাম্পত্য সম্পর্কের অবনতিতে পরকীয়া প্রভাব রাখে|

পরকীয়া নামের অসামাজিক বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের অশুভ থাবায় বিপর্যয়ের মূখে সংসার ও পরিবার প্রথা। অনেকেই সমাজ, লোকচক্ষু ও সন্তানের ভবিষ্যত চিন্তা করে নিরবে সহ্য করে যাচ্ছে স্বামী -স্ত্রীর এই নিষিদ্ধ প্রণয়লীলা। আবার অনেকেই পরকীয়ার নরক যন্ত্রণার অনল সহ্য করতে না পেরে ঘটাচ্ছেন বিবাহ বিচ্ছেদ। কেউবা আবার বেছে নিচ্ছে অত্মহননের মতো অভিশপ্ত পথ।

বিবাহিত কোন নারী বা পুরুষ স্বীয় স্বামী বা স্ত্রী ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির সঙ্গে কোনও ধরণের সর্ম্পক কিংবা বিবাহবহির্ভূত প্রেম, যৌন সম্পর্ককে লিপ্ত হওয়াকে পরকীয়া বলে। বর্তমান ডিজিটাল যুগে ফোনালাপ ও ইন্টারনেট সুবিধা সহজলভ্য হবার কারণে একজন পুরুষ কিংবা নারী সহজে পরকীয়ার মতো গর্হিত কাজে নিজেদেরকে জড়িয়ে ফেলছে। ইসলাম কীভাবে এমন বিকৃত অরুচিকর কাজকে সমর্থন করতে পারে?এ বিকৃত কর্মের অসারতা বিবেকও ধিক্কার দেয়। নিজ স্বামী বা স্ত্রী অন্য কারো সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন করবে,ডেটিং, আড্ডা দেবে, সারাদিন ফোনে পরিবারের সবাইকে ফাঁকি দিয়ে ফিসফিস করে আলাপ করবে, সুযোগ পেলেই অভিসারী হবে, এ অবস্থা সুস্থ বিবেকবান কোনো মানুষ মেনে নিতে পারে না। এ কর্মের কারণে সমাজ যেমন শৃঙ্খলতা হারায়, তেমনি পারিবারিক বন্ধনেও ধরে ফাটল। বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে সামাজিক সকল রীতিনীতি।

পরকীয়ার সুফল নিয়ে বিতর্ক আছেই, আর কুফল নিয়ে নি:সন্দেহে বলা যায়, পরকীয়তা একটা আপাতদৃষ্টিতে সাজানো, গোছানো সংসারকে খড়কুটোর মতো উড়িয়ে নিয়ে যেতে পারে, জীবনকে করে দিতে পারে লণ্ডভণ্ড , বাঁচার ইচ্ছেটাকে অর্থহীন করে তুলতে পারে, প্ররোচিত করতে পারে আত্মহননের রাস্তা বেছে নিতে । তবু “পরকীয়া” হয়।

কেন হয় ? বিবাহিতরা কেন পরকীয়ায় আসক্ত হয় ? কারণ, প্রেমের অন্য একটি নাম “পরকীয়া”, যেখানে পুরুষ তাঁর চেনা নারীর মাঝে অন্য নারীকে খুঁজে বেড়ায় আর নারী তাঁর চেনা পুরুষের মাঝে অন্য পুরুষকে দেখতে চায় । এই খোঁজা বা দেখার চেষ্টা যখন বারবার ব্যর্থ হয়, ক্লান্তি আসে, জীবন সম্পর্কে বিতৃষ্ণা আনে, তখনই জন্ম নেয় “পরকীয়া” ।

বিবাহিত মহিলারা পরকিয়াতে বেশি জড়ানোর কারণ খোঁজ করে পাওয়া গিয়েছে -

স্বামীর দৃষ্টি আকর্ষণের অভাব: নানারকম কারণে অনেকের ক্ষেত্রেই স্বামীর মনোযোগ পায়না। এ থেকেই আসে মনোভঙ্গ। এর থেকেই করে থাকে পরকীয়া।
বৌদ্ধিক তারতম্য: স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে বৌদ্ধিক তারতম্য, বা ইন্টেলেকচুয়াল ডিফারেন্সর কারণেও পরকীয়া হয়ে থাকে।
বিবাহিত জীবনে যৌন-সম্পর্কে অখুশি থাকে।
নিঃসঙ্গতা: চাকরি শেষে অনেক মহিলাই সন্ধের মধ্যে ঘরে ফেরেন। কিন্তু তাঁদের স্বামীরা দেরি করে ফেরে। অনেকের স্বামী আবার অনেক দূরে কাজ করেন। এর ফলে বিবাহিতাদের মধ্যে নিঃসঙ্গতা বাড়ে। এই জন্য পরকীয়ায় জড়ানোর সম্ভাবনা বাড়ে।
কানাডার একটি অনলাইন ডেটিং এবং সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সার্ভিস অ্যাপ ‘অ্যাশলে ম্যাডিসন’ সম্প্রতি একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল বিবাহিত পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি স্টেট ইউনিভার্সিটির সমাজতত্ত্বের অধ্যাপক অ্যালিসিয়া ওয়াকারের নেতৃত্বে প্রায় ১০০০ জনের মধ্যে এই সমীক্ষা চালানো হয়। আর তাতেই জানা যায়, পরকীয়া সম্পর্ক নাকি মহিলারাই বেশি উপভোগ করেন!

‘অ্যাশলে ম্যাডিসন’-এর এই সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, যে সব মহিলারা বিবাহিত জীবনে তেমন সুখী নন, বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে তারাই পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছেন। সমীক্ষায় জানা গেছে, এই সম্পর্কের ক্ষেত্রে শরীর ছাড়া আর কিছুই তেমন গুরুত্ব পায় না। পরকীয়ায় জড়িত এই মহিলারা প্রত্যেকেই নিজেদের পছন্দ-অপছন্দ সোজা-সাপটা তাদের পরকীয়া সম্পর্কের সঙ্গীকে জানিয়ে দেন আগে ভাগেই। এই সব সম্পর্কের ক্ষেত্রে বেশির ভাগ মহিলারাই ব্যক্তি স্বাধীনতাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।

অধ্যাপক ওয়াকারের মতে, নিজেদের বিবাহিত জীবনের সুপ্ত বাসনা এবং প্রসমিত কামনাকে পূরণ করতেই বেশির ভাগ মহিলারা পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এক কথায়, নিজেদের বিবাহিত জীবনের অপূর্ণতা এবং হতাশা থেকেই বেশির ভাগ মহিলারা এই ধরনের সম্পর্কে জড়ান।

Comments

Comments!

 Natunsokal.com

বিবাহিত নারীরা পরকীয়া করেন যে কারণে

শুক্রবার, ডিসেম্বর ২০, ২০১৯ ৫:৫৪ অপরাহ্ণ

পরকীয়া (ইংরেজি: Adultery বা Extramarital affair বা Extramarital sex) হল বিবাহিত কোন ব্যক্তির (নারী বা পুরুষ) স্বামী বা স্ত্রী ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির সাথে বিবাহোত্তর বা বিবাহবহির্ভূত প্রেম, যৌন সম্পর্ক ও যৌন কর্মকান্ড| মানবসমাজে এটি লঘু বা গুরুভাবে নেতিবাচক হিসেবে গণ্য পাশ্চাত্য আধুনিক সমাজে এর প্রতি নেতিবাচক মনোভাব বজায় থাকলেও এটি আইনত অপরাধ বলে বিবেচিত হয় না, তবে অভিযোগ প্রমাণিত হলে পরকীয়াকারী ব্যক্তির বিবাহিত সঙ্গী তার সাথে বিবাহবিচ্ছেদের জন্য কোর্টে আবেদন করতে পারেন|ইসলামি রাষ্ট্রসমূহে এর জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে, যা হল পাথর নিক্ষেপ করে মৃত্যুদন্ড প্রদান মনোচিকিৎসায় একথা স্বীকৃত যে, পিতামাতার পরকীয়া সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্যের উপর এবং সামাজিক সম্পর্ক ও যোগাযোগে বিরূপ প্রভাব ফেলে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা সন্তানের মানসিক বিষন্নতার ও আগ্রাসী মনোভাবের জন্ম দেয়| এছাড়া পারিবারিক ও দাম্পত্য সম্পর্কের অবনতিতে পরকীয়া প্রভাব রাখে|

পরকীয়া নামের অসামাজিক বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের অশুভ থাবায় বিপর্যয়ের মূখে সংসার ও পরিবার প্রথা। অনেকেই সমাজ, লোকচক্ষু ও সন্তানের ভবিষ্যত চিন্তা করে নিরবে সহ্য করে যাচ্ছে স্বামী -স্ত্রীর এই নিষিদ্ধ প্রণয়লীলা। আবার অনেকেই পরকীয়ার নরক যন্ত্রণার অনল সহ্য করতে না পেরে ঘটাচ্ছেন বিবাহ বিচ্ছেদ। কেউবা আবার বেছে নিচ্ছে অত্মহননের মতো অভিশপ্ত পথ।

বিবাহিত কোন নারী বা পুরুষ স্বীয় স্বামী বা স্ত্রী ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির সঙ্গে কোনও ধরণের সর্ম্পক কিংবা বিবাহবহির্ভূত প্রেম, যৌন সম্পর্ককে লিপ্ত হওয়াকে পরকীয়া বলে। বর্তমান ডিজিটাল যুগে ফোনালাপ ও ইন্টারনেট সুবিধা সহজলভ্য হবার কারণে একজন পুরুষ কিংবা নারী সহজে পরকীয়ার মতো গর্হিত কাজে নিজেদেরকে জড়িয়ে ফেলছে। ইসলাম কীভাবে এমন বিকৃত অরুচিকর কাজকে সমর্থন করতে পারে?এ বিকৃত কর্মের অসারতা বিবেকও ধিক্কার দেয়। নিজ স্বামী বা স্ত্রী অন্য কারো সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন করবে,ডেটিং, আড্ডা দেবে, সারাদিন ফোনে পরিবারের সবাইকে ফাঁকি দিয়ে ফিসফিস করে আলাপ করবে, সুযোগ পেলেই অভিসারী হবে, এ অবস্থা সুস্থ বিবেকবান কোনো মানুষ মেনে নিতে পারে না। এ কর্মের কারণে সমাজ যেমন শৃঙ্খলতা হারায়, তেমনি পারিবারিক বন্ধনেও ধরে ফাটল। বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে সামাজিক সকল রীতিনীতি।

পরকীয়ার সুফল নিয়ে বিতর্ক আছেই, আর কুফল নিয়ে নি:সন্দেহে বলা যায়, পরকীয়তা একটা আপাতদৃষ্টিতে সাজানো, গোছানো সংসারকে খড়কুটোর মতো উড়িয়ে নিয়ে যেতে পারে, জীবনকে করে দিতে পারে লণ্ডভণ্ড , বাঁচার ইচ্ছেটাকে অর্থহীন করে তুলতে পারে, প্ররোচিত করতে পারে আত্মহননের রাস্তা বেছে নিতে । তবু “পরকীয়া” হয়।

কেন হয় ? বিবাহিতরা কেন পরকীয়ায় আসক্ত হয় ? কারণ, প্রেমের অন্য একটি নাম “পরকীয়া”, যেখানে পুরুষ তাঁর চেনা নারীর মাঝে অন্য নারীকে খুঁজে বেড়ায় আর নারী তাঁর চেনা পুরুষের মাঝে অন্য পুরুষকে দেখতে চায় । এই খোঁজা বা দেখার চেষ্টা যখন বারবার ব্যর্থ হয়, ক্লান্তি আসে, জীবন সম্পর্কে বিতৃষ্ণা আনে, তখনই জন্ম নেয় “পরকীয়া” ।

বিবাহিত মহিলারা পরকিয়াতে বেশি জড়ানোর কারণ খোঁজ করে পাওয়া গিয়েছে –

স্বামীর দৃষ্টি আকর্ষণের অভাব: নানারকম কারণে অনেকের ক্ষেত্রেই স্বামীর মনোযোগ পায়না। এ থেকেই আসে মনোভঙ্গ। এর থেকেই করে থাকে পরকীয়া।
বৌদ্ধিক তারতম্য: স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে বৌদ্ধিক তারতম্য, বা ইন্টেলেকচুয়াল ডিফারেন্সর কারণেও পরকীয়া হয়ে থাকে।
বিবাহিত জীবনে যৌন-সম্পর্কে অখুশি থাকে।
নিঃসঙ্গতা: চাকরি শেষে অনেক মহিলাই সন্ধের মধ্যে ঘরে ফেরেন। কিন্তু তাঁদের স্বামীরা দেরি করে ফেরে। অনেকের স্বামী আবার অনেক দূরে কাজ করেন। এর ফলে বিবাহিতাদের মধ্যে নিঃসঙ্গতা বাড়ে। এই জন্য পরকীয়ায় জড়ানোর সম্ভাবনা বাড়ে।
কানাডার একটি অনলাইন ডেটিং এবং সোশ্যাল নেটওয়ার্ক সার্ভিস অ্যাপ ‘অ্যাশলে ম্যাডিসন’ সম্প্রতি একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল বিবাহিত পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি স্টেট ইউনিভার্সিটির সমাজতত্ত্বের অধ্যাপক অ্যালিসিয়া ওয়াকারের নেতৃত্বে প্রায় ১০০০ জনের মধ্যে এই সমীক্ষা চালানো হয়। আর তাতেই জানা যায়, পরকীয়া সম্পর্ক নাকি মহিলারাই বেশি উপভোগ করেন!

‘অ্যাশলে ম্যাডিসন’-এর এই সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, যে সব মহিলারা বিবাহিত জীবনে তেমন সুখী নন, বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে তারাই পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছেন। সমীক্ষায় জানা গেছে, এই সম্পর্কের ক্ষেত্রে শরীর ছাড়া আর কিছুই তেমন গুরুত্ব পায় না। পরকীয়ায় জড়িত এই মহিলারা প্রত্যেকেই নিজেদের পছন্দ-অপছন্দ সোজা-সাপটা তাদের পরকীয়া সম্পর্কের সঙ্গীকে জানিয়ে দেন আগে ভাগেই। এই সব সম্পর্কের ক্ষেত্রে বেশির ভাগ মহিলারাই ব্যক্তি স্বাধীনতাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন।

অধ্যাপক ওয়াকারের মতে, নিজেদের বিবাহিত জীবনের সুপ্ত বাসনা এবং প্রসমিত কামনাকে পূরণ করতেই বেশির ভাগ মহিলারা পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এক কথায়, নিজেদের বিবাহিত জীবনের অপূর্ণতা এবং হতাশা থেকেই বেশির ভাগ মহিলারা এই ধরনের সম্পর্কে জড়ান।

Please follow and like us:
error0

Comments

comments

X
error