শনিবার, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং
শিরোনাম
  • **কাসেম সোলেমানির ঘনিষ্ঠ স্থানীয় কমান্ডার আব্দেলহোসেইন মোজাদ্দামিকে বুধবার তার বাসার সামনে গুলি করে হত্যা করেছে দুই মুখোশধারী**রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় মিয়ানমারকে জরুরি ভিত্তিতে চার দফা অন্তর্বর্তীকালীন পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে)** রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সংবিধান আমূল পরিবর্তনের প্রস্তাব প্রাথমিকভাবে সমর্থন করেছে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ স্টেট দুমা** রুট 19 এর নাম বদলে গভর্নর ফিল মারফি মঙ্গলবার বিল প্যাসক্রেলের নামে সড়ক নামকরণের একটি বিলে স্বাক্ষর করেছেন** প্যাটারসনে মেইন স্ট্রিটে পীষ্ঠ হয়ে ৬১ বছর বয়সী ব্যক্তির মৃত্যু** ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের বিরুদ্ধে হলফনামায় সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে ব্যবস্থা চেয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক**
বুধবার, জানুয়ারি ১৫, ২০২০ ৪:৩৬ পূর্বাহ্ণ
A- A A+ Print

‘মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা বাড়াতে ১০০কোটি ডলার দিয়েছে সৌদি’

আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত মার্কিন সেনা পাঠানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ১০০ কোটি মার্কিন ডলার পরিশোধ করেছে তাদের মিত্র সৌদি আরব। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একথা বলেছেন। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটর মার্কিন সংবাদ মাধ্যম ফক্স নিউজের বরাতে এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

মিডল ইস্ট মনিটরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন টেলিভিশন চ্যানেল ফক্স নিউজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অঞ্চলটিতে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন প্রসঙ্গে বলেন, ‘সৌদি আরব আমাদেরকে (আমাদের সেনার জন্য) অর্থ পরিশোধ করেছে। এছাড়া আমাদের (যুক্তরাষ্ট্রের) সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্কও খুব ভালো।’

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও জানান, ‘আমি বলেছি, শুনুন, আপনারা খুবই ধনী দেশ। আপনারা কি আরও সৈন্য চান? যদি চান তাহলে আমি আপনাদেরকে তা (সেনা) পাঠাবো কিন্তু আপনাদের এর জন্য অর্থ পরিশোধ করতে হবে। তারা আমাদের অর্থ পরিশোধ করেছে। ইতোমধ্যে আমাদের নামে ব্যাংবে ১০০ কোটি মার্কিন ডলার জমা হয়েছে।’

গত বছরের অক্টোবরে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন জানায়, সৌদি আরবে অতিরিক্ত ৩ হাজার মার্কিন সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ব্যাপারে অনুমোদন দিয়েছে তারা। গত সেপ্টেম্বরে সৌদির রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি আরামকোতে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলাকে কারণ হিসেবে জানায় তারা।

সৌদি আরবে পাঠানো সামরিক সরঞ্জামের মধ্যে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র, যুদ্ধবিমান ও থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও ছিল। ট্রাম্প বারবার বলে আসছেন, মার্কিন সুরক্ষা নিতে হলে তিনি অন্য দেশগুলোতে অর্থ পরিশোধে বাধ্য করবেন। বিশেষ করে পারস্য উপসাগরের ক্ষেত্রে।

প্রসঙ্গত, ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর সৌদি আরবের সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা বৃদ্ধি ও যুদ্ধাবস্থার তৈরি হয়। তার প্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যে এমনকি সৌদি আরবেও তার প্রশাসন অতিরিক্ত সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠায়। তবে ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনাদের বের করে আনার ঘোষণাও দিয়েছিলেন।

Comments

Comments!

 Natunsokal.com

‘মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা বাড়াতে ১০০কোটি ডলার দিয়েছে সৌদি’

বুধবার, জানুয়ারি ১৫, ২০২০ ৪:৩৬ পূর্বাহ্ণ

আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত মার্কিন সেনা পাঠানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ১০০ কোটি মার্কিন ডলার পরিশোধ করেছে তাদের মিত্র সৌদি আরব। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একথা বলেছেন। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটর মার্কিন সংবাদ মাধ্যম ফক্স নিউজের বরাতে এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

মিডল ইস্ট মনিটরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন টেলিভিশন চ্যানেল ফক্স নিউজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অঞ্চলটিতে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন প্রসঙ্গে বলেন, ‘সৌদি আরব আমাদেরকে (আমাদের সেনার জন্য) অর্থ পরিশোধ করেছে। এছাড়া আমাদের (যুক্তরাষ্ট্রের) সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্কও খুব ভালো।’

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও জানান, ‘আমি বলেছি, শুনুন, আপনারা খুবই ধনী দেশ। আপনারা কি আরও সৈন্য চান? যদি চান তাহলে আমি আপনাদেরকে তা (সেনা) পাঠাবো কিন্তু আপনাদের এর জন্য অর্থ পরিশোধ করতে হবে। তারা আমাদের অর্থ পরিশোধ করেছে। ইতোমধ্যে আমাদের নামে ব্যাংবে ১০০ কোটি মার্কিন ডলার জমা হয়েছে।’

গত বছরের অক্টোবরে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন জানায়, সৌদি আরবে অতিরিক্ত ৩ হাজার মার্কিন সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ব্যাপারে অনুমোদন দিয়েছে তারা। গত সেপ্টেম্বরে সৌদির রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি আরামকোতে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলাকে কারণ হিসেবে জানায় তারা।

সৌদি আরবে পাঠানো সামরিক সরঞ্জামের মধ্যে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র, যুদ্ধবিমান ও থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও ছিল। ট্রাম্প বারবার বলে আসছেন, মার্কিন সুরক্ষা নিতে হলে তিনি অন্য দেশগুলোতে অর্থ পরিশোধে বাধ্য করবেন। বিশেষ করে পারস্য উপসাগরের ক্ষেত্রে।

প্রসঙ্গত, ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর সৌদি আরবের সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা বৃদ্ধি ও যুদ্ধাবস্থার তৈরি হয়। তার প্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যে এমনকি সৌদি আরবেও তার প্রশাসন অতিরিক্ত সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠায়। তবে ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনাদের বের করে আনার ঘোষণাও দিয়েছিলেন।

Please follow and like us:
error0

Comments

comments

X
error