শুক্রবার, ২৭শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ১০ই এপ্রিল, ২০২০ ইং
শিরোনাম
  • **আজ পবিত্র শবেবরাত** দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৩ জনের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান- আইইডিসিআর। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ২০ জনের প্রাণহানি ঘটলো**ইয়েমেনে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। বৃহস্পতিবার থেকে এই যুদ্ধ বিরতি কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের কর্মকর্তারা**ব্যাপক হারে মৃত্যুর ঘটনায় মার্কিন পতাকা অর্ধনমিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যুমো** বঙ্গবন্ধুর খুনি মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল মাজেদের প্রাণভিক্ষার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।ফাঁসি যেকোনো দিন**
শনিবার, ডিসেম্বর ২১, ২০১৯ ১১:২১ অপরাহ্ণ
A- A A+ Print

মহাকাশের দখল নেবে ‘মার্কিন মহাকাশ বাহিনী’

‘মার্কিন মহাকাশ বাহিনী’ নামে সামরিক বাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর পর এবার নতুন বাহিনী গঠন করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।১৯৪৭ সালের পর প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রে নতুন কোনো সামরিক সেবা চালু করা হলো।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গতকাল শুক্রবার এই নতুন বাহিনীর অনুমোদন দিয়েছেন। নতুন এই বাহিনী মার্কিন বিমানবাহিনীর অধীনে কাজ করবে।
নতুন এই বাহিনী গঠন সম্পর্কে ওয়াশিংটনে এক সামরিক ক্যাম্পে এসে ট্রাম্প বলেছেন, নিকট ভবিষ্যতে মহাকাশই হবে নতুন যুদ্ধক্ষেত্র। ট্রাম্প বলেছেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তা যখন গুরুতর হুমকির সম্মুখীন, মহাকাশে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করা তখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত আমরা এই ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিচ্ছি ঠিকই, কিন্তু সেটি সন্তোষজনক নয়। আগামী কয়েক মাসে বাকি দেশগুলোর চেয়ে অনেকটা এগিয়ে যাব আমরা। নতুন এই মহাকাশ বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি অন্য দেশের আগ্রাসন হ্রাস করতে সহায়তা করবে।’

নতুন এই বাহিনীর জন্য বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে গতকাল শুক্রবার। প্রথম বছরে নতুন এই বাহিনীর জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর পুরো সামরিক বাহিনীর জন্য বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে ৭৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

নবগঠিত এই বাহিনী কিন্তু মহাশূন্যে গিয়ে সরাসরি যুদ্ধ করবে না। বরং মহাকাশে বিদ্যমান মার্কিন সম্পদগুলো রক্ষার প্রতি বিশেষ মনোযোগী হবে এই বাহিনী। যেমন যোগাযোগ ও পর্যবেক্ষণের জন্য স্থাপন করা শতাধিক মার্কিন স্যাটেলাইটের নিরাপত্তার দিকটি দেখভাল করবে এই বাহিনী।

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স বলেছেন, ‘মহাকাশের পরিস্থিতি গত প্রজন্মে ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। এক সময় যেটি শান্তিপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন ছিল, সেই মহাকাশ এখন তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।’

মার্কিন বিমানবাহিনীর সেক্রেটারি বারবারা ব্যারেট বলেছেন, বিমানবাহিনী ও বেসামরিক ১৬ হাজার কর্মকর্তা নিয়ে এই সামরিক বাহিনী গঠিত হবে। নতুন এই বাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এয়ার ফোর্স জেনারেল জে রেমন্ড, যিনি বর্তমানে মার্কিন স্পেস কমান্ডের (স্পেসকম) প্রধানের দায়িত্বে আছেন।

Comments

Comments!

 Natunsokal.com

মহাকাশের দখল নেবে ‘মার্কিন মহাকাশ বাহিনী’

শনিবার, ডিসেম্বর ২১, ২০১৯ ১১:২১ অপরাহ্ণ

‘মার্কিন মহাকাশ বাহিনী’ নামে সামরিক বাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর পর এবার নতুন বাহিনী গঠন করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।১৯৪৭ সালের পর প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রে নতুন কোনো সামরিক সেবা চালু করা হলো।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গতকাল শুক্রবার এই নতুন বাহিনীর অনুমোদন দিয়েছেন। নতুন এই বাহিনী মার্কিন বিমানবাহিনীর অধীনে কাজ করবে।
নতুন এই বাহিনী গঠন সম্পর্কে ওয়াশিংটনে এক সামরিক ক্যাম্পে এসে ট্রাম্প বলেছেন, নিকট ভবিষ্যতে মহাকাশই হবে নতুন যুদ্ধক্ষেত্র। ট্রাম্প বলেছেন, ‘জাতীয় নিরাপত্তা যখন গুরুতর হুমকির সম্মুখীন, মহাকাশে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করা তখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত আমরা এই ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিচ্ছি ঠিকই, কিন্তু সেটি সন্তোষজনক নয়। আগামী কয়েক মাসে বাকি দেশগুলোর চেয়ে অনেকটা এগিয়ে যাব আমরা। নতুন এই মহাকাশ বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি অন্য দেশের আগ্রাসন হ্রাস করতে সহায়তা করবে।’

নতুন এই বাহিনীর জন্য বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে গতকাল শুক্রবার। প্রথম বছরে নতুন এই বাহিনীর জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর পুরো সামরিক বাহিনীর জন্য বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে ৭৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

নবগঠিত এই বাহিনী কিন্তু মহাশূন্যে গিয়ে সরাসরি যুদ্ধ করবে না। বরং মহাকাশে বিদ্যমান মার্কিন সম্পদগুলো রক্ষার প্রতি বিশেষ মনোযোগী হবে এই বাহিনী। যেমন যোগাযোগ ও পর্যবেক্ষণের জন্য স্থাপন করা শতাধিক মার্কিন স্যাটেলাইটের নিরাপত্তার দিকটি দেখভাল করবে এই বাহিনী।

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স বলেছেন, ‘মহাকাশের পরিস্থিতি গত প্রজন্মে ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। এক সময় যেটি শান্তিপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন ছিল, সেই মহাকাশ এখন তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।’

মার্কিন বিমানবাহিনীর সেক্রেটারি বারবারা ব্যারেট বলেছেন, বিমানবাহিনী ও বেসামরিক ১৬ হাজার কর্মকর্তা নিয়ে এই সামরিক বাহিনী গঠিত হবে। নতুন এই বাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এয়ার ফোর্স জেনারেল জে রেমন্ড, যিনি বর্তমানে মার্কিন স্পেস কমান্ডের (স্পেসকম) প্রধানের দায়িত্বে আছেন।

Please follow and like us:
error0

Comments

comments

X
error