শনিবার, ২১শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ৩রা এপ্রিল, ২০২০ ইং
শিরোনাম
  • **** চলমান করোনভাইরাস সঙ্কটের কারণে ২০২০ সালের ১২ ই মে নির্ধারিত সমস্ত নির্বাচন মেল-ইন ভোট দিয়ে পরিচালনার আদেশ দিয়ে বৃহস্পতিবার, একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন গভর্নর ফিল মারফি** প্যাটারসনে গত ২৪ ঘন্টায় করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা চার থেকে দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়ে নয়টিতে উন্নীত হয়েছে** বৃহস্পতিবার ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, দেশটিতে প্রতি ঘন্টায় ৫০ জন লোক করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। আর প্রতি ১০ মিনিটে মারা যাচ্ছেন একজন** ভারতের আলোচিত ‘নির্ভয়া’ মামলার চার আসামি মুকেশ সিং, পবন গুপ্তা, বিনয় শর্মা ও অক্ষয়কুমার সিংয়ের ফাঁসি শুক্রবার** বিদেশফেরত প্রত্যেক যাত্রীকে ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশের হাইকোর্ট** মহামারী রূপে ছড়িয়ে পড়া নতুন করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকটের কারণে প্রায় আড়াই কোটি মানুষ চাকরি হারাতে পারে বলে মনে করছে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা** নিউইয়র্ক সিটি প্রথম অস্থায়ী করোনাভাইরাস পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে স্ট্যাটেন্ট আইল্যান্ডে। আমেরিকার ন্যাশনাল গার্ড প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপন করেছে এবং কেন্দ্রটি চালানোর জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে**
শুক্রবার, ডিসেম্বর ২৭, ২০১৯ ২:৪১ পূর্বাহ্ণ
A- A A+ Print

সন্তান ভালবাসতে শিখুক প্রকৃতিকে ; স্মার্টফোন নয়

জেগে থাকা সময়ের এক-তৃতীয়াংশই স্মার্টফোন ব্যবহার করছি আমরা। সম্প্রতি এক সমীক্ষায় দেখা গেছে শুধুমাত্র স্মার্টফোনের দিকে তাকিয়ে থেকেই বছরের মোট ৭৫ দিন কেটে যাচ্ছে। বড়রাই নয়, এই অবস্থা থেকে মুক্ত নয় শিশুরাও।

স্মার্টফোন প্রস্তুতকারী সংস্থা ভিভো ও সাইবারমিডিয়ার এক যৌথ জরিপের প্রকাশিত ফলাফল থেকে জানা গেছে, এই সমীক্ষায় অংশ নেওয়া দুই হাজার সদস্যদের অর্ধেকের বেশি সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ করতে অস্বীকার করেছেন। অনেকেই মনে করেন স্মার্টফোন ছাড়া জীবন ধারণ সম্ভব নয়।

বেশিরভাগ শিশুর হাতে ফোন এসে যাচ্ছে স্কুল বয়সেই। এতে করে তারা স্মার্টফোনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে যাচ্ছে। যোগাযোগ বা কোনো কিছু জানার আগ্রহ হলে সে ফোনেই সব করে নিচ্ছে। এতে করে শিশুর দূরত্ব বাড়ছে পরিবার ও প্রকৃতির সঙ্গে। যার প্রভাব তার পুরো জীবনে পড়বে বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, ইন্টারনেটের যুগের শিশুরা ডিজিটাল ডিভাইস হাতে বড় হচ্ছে। এর ফলে সমাজের কাঠামো পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। সম্পর্কের সংজ্ঞা বদলে যাচ্ছে। বদলে যাচ্ছে মানুষের আবেগ প্রকাশের উপায়। বেশিরভাগ স্মার্টফোন ব্যবহারকারী শিশু-কিশোরই বন্ধু ও পরিজনদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।

এই শিশুরা বাইরে বন্ধুদের সঙ্গে খেলতেও পছন্দ করে না। ফলে তাদের মধ্যে ওবেসিটি বা অতিরিক্ত ওজন বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকিও বাড়তে থাকে। সারাক্ষণ স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকায় দৃষ্টিশক্তিরও ক্ষতি হতে পারে। এছাড়াও তাদের মনোযোগ ও ধৈর্য কম থাকে।

স্মার্টফোন আমাদের জীবনে যোগাযোগের জন্য প্রয়োজনীয় হলেও এর ব্যবহারে এখন থেকেই রাশ টানতে হবে। বিশেষ করে ছোটদের সামনে। কারণ পরিবারের বড়রা যদি সারাক্ষণ ফোন হাতে থাকেন, তবে স্মার্টফোন থেকে দূরে থাকার পরামর্শ শিশুরা কেন শুনবে?

সুস্থ-সুন্দর-সফল-মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সময় পেলেই শিশু-কিশোরদের প্রকৃতির মাঝে নিয়ে যান। তাদের চারপাশের মানুষের সঙ্গে মেশার সুযোগ করে দিন। ছোট বেলা থেকেই শিশুকে দেশ, মানুষ ও প্রকৃতিকে ভালোবাসতে শেখান।

Comments

Comments!

 Natunsokal.com

সন্তান ভালবাসতে শিখুক প্রকৃতিকে ; স্মার্টফোন নয়

শুক্রবার, ডিসেম্বর ২৭, ২০১৯ ২:৪১ পূর্বাহ্ণ

জেগে থাকা সময়ের এক-তৃতীয়াংশই স্মার্টফোন ব্যবহার করছি আমরা। সম্প্রতি এক সমীক্ষায় দেখা গেছে শুধুমাত্র স্মার্টফোনের দিকে তাকিয়ে থেকেই বছরের মোট ৭৫ দিন কেটে যাচ্ছে। বড়রাই নয়, এই অবস্থা থেকে মুক্ত নয় শিশুরাও।

স্মার্টফোন প্রস্তুতকারী সংস্থা ভিভো ও সাইবারমিডিয়ার এক যৌথ জরিপের প্রকাশিত ফলাফল থেকে জানা গেছে, এই সমীক্ষায় অংশ নেওয়া দুই হাজার সদস্যদের অর্ধেকের বেশি সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ করতে অস্বীকার করেছেন। অনেকেই মনে করেন স্মার্টফোন ছাড়া জীবন ধারণ সম্ভব নয়।

বেশিরভাগ শিশুর হাতে ফোন এসে যাচ্ছে স্কুল বয়সেই। এতে করে তারা স্মার্টফোনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে যাচ্ছে। যোগাযোগ বা কোনো কিছু জানার আগ্রহ হলে সে ফোনেই সব করে নিচ্ছে। এতে করে শিশুর দূরত্ব বাড়ছে পরিবার ও প্রকৃতির সঙ্গে। যার প্রভাব তার পুরো জীবনে পড়বে বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, ইন্টারনেটের যুগের শিশুরা ডিজিটাল ডিভাইস হাতে বড় হচ্ছে। এর ফলে সমাজের কাঠামো পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। সম্পর্কের সংজ্ঞা বদলে যাচ্ছে। বদলে যাচ্ছে মানুষের আবেগ প্রকাশের উপায়। বেশিরভাগ স্মার্টফোন ব্যবহারকারী শিশু-কিশোরই বন্ধু ও পরিজনদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।

এই শিশুরা বাইরে বন্ধুদের সঙ্গে খেলতেও পছন্দ করে না। ফলে তাদের মধ্যে ওবেসিটি বা অতিরিক্ত ওজন বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকিও বাড়তে থাকে। সারাক্ষণ স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকায় দৃষ্টিশক্তিরও ক্ষতি হতে পারে। এছাড়াও তাদের মনোযোগ ও ধৈর্য কম থাকে।

স্মার্টফোন আমাদের জীবনে যোগাযোগের জন্য প্রয়োজনীয় হলেও এর ব্যবহারে এখন থেকেই রাশ টানতে হবে। বিশেষ করে ছোটদের সামনে। কারণ পরিবারের বড়রা যদি সারাক্ষণ ফোন হাতে থাকেন, তবে স্মার্টফোন থেকে দূরে থাকার পরামর্শ শিশুরা কেন শুনবে?

সুস্থ-সুন্দর-সফল-মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সময় পেলেই শিশু-কিশোরদের প্রকৃতির মাঝে নিয়ে যান। তাদের চারপাশের মানুষের সঙ্গে মেশার সুযোগ করে দিন। ছোট বেলা থেকেই শিশুকে দেশ, মানুষ ও প্রকৃতিকে ভালোবাসতে শেখান।

Please follow and like us:
error0

Comments

comments

X
error