বৃহস্পতিবার, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং
শিরোনাম
  • **কাসেম সোলেমানির ঘনিষ্ঠ স্থানীয় কমান্ডার আব্দেলহোসেইন মোজাদ্দামিকে বুধবার তার বাসার সামনে গুলি করে হত্যা করেছে দুই মুখোশধারী**রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় মিয়ানমারকে জরুরি ভিত্তিতে চার দফা অন্তর্বর্তীকালীন পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে)** রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সংবিধান আমূল পরিবর্তনের প্রস্তাব প্রাথমিকভাবে সমর্থন করেছে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ স্টেট দুমা** রুট 19 এর নাম বদলে গভর্নর ফিল মারফি মঙ্গলবার বিল প্যাসক্রেলের নামে সড়ক নামকরণের একটি বিলে স্বাক্ষর করেছেন** প্যাটারসনে মেইন স্ট্রিটে পীষ্ঠ হয়ে ৬১ বছর বয়সী ব্যক্তির মৃত্যু** ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের বিরুদ্ধে হলফনামায় সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে ব্যবস্থা চেয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক**
সোমবার, জানুয়ারি ১৩, ২০২০ ৮:০১ অপরাহ্ণ
A- A A+ Print

হ্যারি-মেগানকে ফেরাতে বৈঠক আজ; মুখোমুখি হচ্ছেন রানি–হ্যারি

প্রিন্স হ্যারি ও তার মার্কিন স্ত্রী মেগান মার্কেল রাজপরিবারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়ে কানাডায় চলে যাওয়ার ঘোষণা দেয়ার পর ব্রিটিশ রাজপরিবারে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এক সপ্তাহ ধরে ইউরোপ-আমেরিকা ছাড়িয়ে সারাবিশ্বে আলোচনার ঝড় তুলেছে।

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ এই সংকট নিয়ে কথা বলার জন্য সান্দ্রিংহাম এস্টেটে রাজপরিবারের সিনিয়র সদস্যদের ডেকেছেন।ব্রিটিশ রাজপরিবারের এই সংকট নিরসনে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ শেষ পর্যন্ত সরাসরি আলোচনার পথই বেছে নিয়েছেন। রানী এলিজাবেথ, প্রিন্স চার্লস, প্রিন্স উইলিয়াম, প্রিন্স হ্যারি যোগ দেবেন। কানাডা থেকে টেলিফোনে আলোচনায় যোগ দেবেন হ্যারির স্ত্রী সাবেক অভিনেত্রী মেগান। রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর মেগান কানাডায় ছেলে আর্চির কাছে গেছেন।

গত ৮ই ডিসেম্বর হ্যারি এবং মেগান ঘোষণা করেন যে তারা রাজপরিবারের সামনের কাতারের দায়িত্ব থেকে অবসর নিতে চান। একই সঙ্গে তারা যুক্তরাজ্য এবং উত্তর আমেরিকায় তাদের সময় ভাগাভাগি করে থাকতে চান। একই সঙ্গে তারা আর্থিকভাবেও স্বাধীন হতে চান, যাতে রাজকোষের অর্থের ওপর তাদের নির্ভর করতে না হয়।

২০১৮ সালের মে মাসে হ্যারি ও মেগানের বিয়ে হয়। এর এক বছরের মাথায় ছেলে আর্চির জন্ম। এই দম্পতিকে নিয়ে ব্রিটিশ গণমাধ্যমে অনেক সময় নেতিবাচক খবর প্রকাশ করা হয়েছে। ভিন্ন দেশের ও শ্বেতাঙ্গ না হওয়ায় নানা ধরনের নেতিবাচক কথা শুনতে হয়েছে মেগান মার্কেলকে। এ ব্যাপারে গণমাধ্যমের বাড়াবাড়ি নিয়েও বিরক্ত হ্যারি-মেগান।

তারা এই ঘোষণা দিয়েছিলেন রানি বা রাজপরিবারের কোন সদস্যের সঙ্গে আগাম আলোচনা ছাড়াই। এজন্যেই এ ঘটনা এত তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি করে।

বিবিসির রাজপরিবারের সংবাদদাতা জনি ডায়মন্ড বলেন, রানির ইচ্ছার সঙ্গে সংগতি রেখে রাজপরিবারের সঙ্গে হ্যারি-মেগান দম্পতির সম্পর্ক ভবিষ্যতে কেমন হবে, তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হতে পারে। আলোচনা ফলপ্রসূ হওয়া নিয়ে সংশয় রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন এই সাংবাদিক।

হ্যারি ও মেগান কেন রাজপরিবারের আরাম-আয়েশি জীবন ছেড়ে যাচ্ছেন, এমন প্রশ্ন অনেকের মনেই উঁকি দিচ্ছে। বিভিন্ন সূত্র বলছে, তাঁরা স্বাধীনভাবে জীবনযাপন ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতার জন্য একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান চালু করতে পারেন। ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার চিন্তাভাবনাও আছে তাঁদের। ব্র্যান্ড বিশেষজ্ঞ ও হলিউড পর্যবেক্ষকেরা এমনটাই বলছেন।

প্রিন্স হ্যারির এই সিদ্ধান্তকে অনেকে তুলনা করছেন অষ্টম এডওয়ার্ডের রাজসিংহাসন ত্যাগের সঙ্গে।

ব্রিটিশ রাজসিংহাসনের ক্রমতালিকায় অবশ্য প্রিন্স হ্যারির অবস্থান অনেক পেছনে, আট নম্বরে।

Comments

Comments!

 Natunsokal.com

হ্যারি-মেগানকে ফেরাতে বৈঠক আজ; মুখোমুখি হচ্ছেন রানি–হ্যারি

সোমবার, জানুয়ারি ১৩, ২০২০ ৮:০১ অপরাহ্ণ

প্রিন্স হ্যারি ও তার মার্কিন স্ত্রী মেগান মার্কেল রাজপরিবারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়ে কানাডায় চলে যাওয়ার ঘোষণা দেয়ার পর ব্রিটিশ রাজপরিবারে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এক সপ্তাহ ধরে ইউরোপ-আমেরিকা ছাড়িয়ে সারাবিশ্বে আলোচনার ঝড় তুলেছে।

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ এই সংকট নিয়ে কথা বলার জন্য সান্দ্রিংহাম এস্টেটে রাজপরিবারের সিনিয়র সদস্যদের ডেকেছেন।ব্রিটিশ রাজপরিবারের এই সংকট নিরসনে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ শেষ পর্যন্ত সরাসরি আলোচনার পথই বেছে নিয়েছেন। রানী এলিজাবেথ, প্রিন্স চার্লস, প্রিন্স উইলিয়াম, প্রিন্স হ্যারি যোগ দেবেন। কানাডা থেকে টেলিফোনে আলোচনায় যোগ দেবেন হ্যারির স্ত্রী সাবেক অভিনেত্রী মেগান। রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর মেগান কানাডায় ছেলে আর্চির কাছে গেছেন।

গত ৮ই ডিসেম্বর হ্যারি এবং মেগান ঘোষণা করেন যে তারা রাজপরিবারের সামনের কাতারের দায়িত্ব থেকে অবসর নিতে চান। একই সঙ্গে তারা যুক্তরাজ্য এবং উত্তর আমেরিকায় তাদের সময় ভাগাভাগি করে থাকতে চান। একই সঙ্গে তারা আর্থিকভাবেও স্বাধীন হতে চান, যাতে রাজকোষের অর্থের ওপর তাদের নির্ভর করতে না হয়।

২০১৮ সালের মে মাসে হ্যারি ও মেগানের বিয়ে হয়। এর এক বছরের মাথায় ছেলে আর্চির জন্ম। এই দম্পতিকে নিয়ে ব্রিটিশ গণমাধ্যমে অনেক সময় নেতিবাচক খবর প্রকাশ করা হয়েছে। ভিন্ন দেশের ও শ্বেতাঙ্গ না হওয়ায় নানা ধরনের নেতিবাচক কথা শুনতে হয়েছে মেগান মার্কেলকে। এ ব্যাপারে গণমাধ্যমের বাড়াবাড়ি নিয়েও বিরক্ত হ্যারি-মেগান।

তারা এই ঘোষণা দিয়েছিলেন রানি বা রাজপরিবারের কোন সদস্যের সঙ্গে আগাম আলোচনা ছাড়াই। এজন্যেই এ ঘটনা এত তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি করে।

বিবিসির রাজপরিবারের সংবাদদাতা জনি ডায়মন্ড বলেন, রানির ইচ্ছার সঙ্গে সংগতি রেখে রাজপরিবারের সঙ্গে হ্যারি-মেগান দম্পতির সম্পর্ক ভবিষ্যতে কেমন হবে, তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হতে পারে। আলোচনা ফলপ্রসূ হওয়া নিয়ে সংশয় রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন এই সাংবাদিক।

হ্যারি ও মেগান কেন রাজপরিবারের আরাম-আয়েশি জীবন ছেড়ে যাচ্ছেন, এমন প্রশ্ন অনেকের মনেই উঁকি দিচ্ছে। বিভিন্ন সূত্র বলছে, তাঁরা স্বাধীনভাবে জীবনযাপন ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতার জন্য একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান চালু করতে পারেন। ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার চিন্তাভাবনাও আছে তাঁদের। ব্র্যান্ড বিশেষজ্ঞ ও হলিউড পর্যবেক্ষকেরা এমনটাই বলছেন।

প্রিন্স হ্যারির এই সিদ্ধান্তকে অনেকে তুলনা করছেন অষ্টম এডওয়ার্ডের রাজসিংহাসন ত্যাগের সঙ্গে।

ব্রিটিশ রাজসিংহাসনের ক্রমতালিকায় অবশ্য প্রিন্স হ্যারির অবস্থান অনেক পেছনে, আট নম্বরে।

Please follow and like us:
error0

Comments

comments

X
error