একইসঙ্গে অনুরূপ চিন্তা ও রুচিসম্পন্ন মানুষদের ফলো করা বা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানোর প্রস্তাব দেয়। এর ফলে ব্যবহারকারী ধীরে ধীরে এক ধরনের তথ্য-প্রাচীরের মধ্যে আবদ্ধ হয়ে পড়ে, যেখানে ভিন্নমতের কোনো তথ্য আর তার কাছে পৌঁছায় না। প্রযুক্তিগত ভাষায় এই পরিস্থিতিকেই ‘ইকোচেম্বার’ বলা হয়।
এই অবস্থায় ব্যক্তি নিজের মতাদর্শকে আরও দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরে। ফলে ভিন্নমত গ্রহণ বা সহ্য করার সক্ষমতা ক্রমশ কমে যায়। কারণ, ইকোচেম্বারের দেয়াল ভেদ করে বিরোধী মতামত তার কাছে আর পৌঁছায় না। যদি কখনও কোনো ভিন্নমত তার টাইমলাইনে এসেও পড়ে, তখন তিনি তা বিরক্তি বা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেন।
