শিপিং এজেন্টরা চলমান সংকটের জন্য একের পর এক বাধার কথা উল্লেখ করে বলেছেন, গত মাসে ঈদুল আজহার ১০ দিনের ছুটি, রাজস্ব কর্মকর্তাদের দেশব্যাপী ধর্মঘট, কয়েক সপ্তাহ কাস্টমস সার্ভার বিঘ্নিত হওয়া ও প্রাইম মুভার অপারেটরদের বারবার কর্মবিরতির ফলে কনটেইনার জট তীব্র থেকে তীব্রতর হয়েছে।
তারা পণ্য পরিবহনে গ্যান্ট্রি ক্রেনের ঘনঘন ত্রুটির কথাও বলছেন। এছাড়া, আছে ট্রেলার ঘাটতি ও ইয়ার্ডের সীমিত জায়গা। এগুলো পণ্য খালাসের সময়ও বাড়িয়ে দিয়েছে।
তবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক) আগের তুলনায় সম্প্রতি বন্দরে চলাচলের জন্য অনুমোদিত কনটেইনারবাহী জাহাজের সংখ্যা বেড়েছে উল্লেখ করে বলে, তারা এখন জট কমাতে জাহাজের সংখ্যা কমানোর কথা ভাবছে।
শিপিং এজেন্টরা এমন সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন। তাদের যুক্তি—অনুমোদিত জাহাজের বর্তমান সংখ্যা কমানো হলে দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
গত বুধবার পর্যন্ত ২১টি জাহাজ বহির্নোঙরে অপেক্ষা করছিল। এর বেশিরভাগই চার থেকে ১১ দিন অলস বসে ছিল। চলতি বছরের শুরুতে জাহাজের গড় অপেক্ষা ছিল এক থেকে দুই দিন। এক সঙ্গে আটটির বেশি জাহাজ বহির্নোঙরে অপেক্ষা করে না।